× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

মাথার হাড় পেটে রেখেই বাবার সঙ্গে বাড়ি ফিরেছেন সেই আকিব

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে
২০ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা মাহাদী জে আকিব হাসপাতাল ছেড়েছেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে মেডিকেল দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী বাবার সঙ্গে কুমিল্লার বাড়িতে চলে গেছেন। জানা যায়, আকিবকে স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় আগের দিন বুধবার বিকালে জেনারেল বেডে রাখা হয়। এরপর গত বৃহস্পতিবার সকালে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে তিনি বাবার সঙ্গে কুমিল্লার বাড়িতে রওনা দেন। জানা যায়, আকিবের মাথা থেকে ভেঙে যাওয়া একটি হাড় তাজা থাকার জন্য এখনো পেটে রাখা হয়েছে। একমাস পর তাকে আবার চট্টগ্রামে এনে ডাক্তার দেখানো হবে। এরপর চিকিৎসকরা তার অপারেশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
এ বিষয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মেডিকেল বোর্ড নিশ্চিত হয়েছে, আকিব সুস্থ হয়েছেন। তাই গত বুধবার তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে নেয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়। এখন সে বাড়িতেই আছে। এরপরও আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি। আকিবের চিকিৎসার তত্ত্বাবধানে থাকা এই চিকিৎসক নেতা বলেন, আকিব এখন পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত। তবে মাথার যে হাড় খুলে পেটে রাখা হয়েছে সেটি এখনো প্রতিস্থাপন করা হয়নি। এটি করতে এক-দেড় মাস সময় লাগবে। এরপর অপারেশন করে সেটি বসানোর পর সে স্বাভাবিকভাবে ক্লাস করা থেকে সবকিছু করতে পারবে। এ ছাড়া তার ব্রেইন বা অন্য কোথাও কোনো সমস্যা নেই। উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৩০শে অক্টোবর চমেক ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় মোট ৪ জন আহত হয়। এরমধ্যে আকিবের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় তার মাথার ব্যান্ডেজে ‘মাথায় হাড় নেই, চাপ দেবেন না’ লেখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর