× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার , ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

রাশিয়ার সামরিক অস্ত্র কেনায় ভারতের বিরুদ্ধে অবরোধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) নভেম্বর ২৪, ২০২১, বুধবার, ২:০৪ অপরাহ্ন

রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কেনার কারণে ভারতের বিরুদ্ধে দেয়া অবরোধ এখনও প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন থেকে মঙ্গলবার বলা হয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যে অবরোধ দিয়েছে তার নাম ‘কাউন্টারিং আমেরিকা’স এডভার্সারিজ থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্ট (সিএএটিএসএ)’। তা এখনও প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়নি প্রশাসন। এ খবর দিয়েছে ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআই।

রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ সরবরাহ পাওয়া শুরু করার এক সপ্তাহ পরে এ মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে শীর্ষ স্থানীয় রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতা ভারতের বিরুদ্ধে সিএএটিএসএ নামের অবরোধের বিরোধিতা করলেও এই অবস্থানে অটল আছে প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, এ বিষয়ে ছাড় দেয়ার যে বিধান আছে, সিএএটিএসএ’কে তার অধীনে ঢেকে রাখা যায় না অথবা নির্দিষ্ট দেশ মওকুফের আওতায় আসবে এমন বিধান নেই। মুখপাত্র নেড প্রাইস মঙ্গলবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বলেছেন, এস-৪০০ ব্যবস্থা সরবরাহ বিষয়ে যেকোনো মন্তব্যের জন্য আমরা আপনাদেরকে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলবো।

এ বিষয়টিতে আমরা পরিষ্কার অবস্থানে রয়েছি।
শুধু ভারতের প্রেক্ষিতে নয়, ব্যাপক বিস্তৃতক্ষেত্রে আমাদেরকে দেখতে হবে। আমরা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে, আমাদের সব অংশীদারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি রাশিয়ার সঙ্গে লেনদেন না করতে। যদি এমনটা করা হয় তাহলে তা সিএএটিএসএর অধীনে অবরোধের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। তাই রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের অস্ত্র লেনদেনের প্রেক্ষিতে আমরা ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিইনি। তিনি আরো বলেন, আমরা আরো জানি ভারতের সঙ্গে আমাদের প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে।

কয়েক বছরে তা আরো গভীর হয়েছে। বিষয়টি গভীর সম্পর্কের বিষয়, যেটা ভারতের সঙ্গে আমাদের আছে। আমাদের মধ্যে বড় রকমের প্রতিরক্ষা বিষয়ক অংশীদারিত্ব আছে। আমরা চাই প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্কে এই শক্তিশালী গতি অব্যাহত থাকবে। ভারতের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত সম্পর্কের অবশ্যই মূল্যায়ন করি। আপনারা জানেন অনেকদিন আমাদের ভারত সফরের সুযোগ ছিল না। আমি মনে করি আগস্টে সেই সুযোগ এসেছে। আমরা অনেকবার সাক্ষাত করেছি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। আমরা এ সময় এসব উদ্বেগের বিষয়ে সরাসরি আলোচনা করেছি। ভারত সরকারের উচ্চ পর্যায়গুলোতেও এ আলোচনা হয়েছে।

নেড প্রাইস আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের বেশ কিছু সদস্যের এসব বিষয়ে গভীর আগ্রহ আছে। ভারত সরকার গ্রহণ করুক বা না করুক এমন যেকোনো সিস্টেম নিয়ে আমাদের কথা বলার বিষয় নয়। আমাদের আইনের বিষয়ে কথা বলতে হবে, যা বইয়ে আছে, এবং ওই আইনের অধীনে যেসব শর্ত রয়েছে। স্পষ্টটই কংগ্রেস সদস্যদের এসব বিষয়ে গভীর আগ্রহ আছে। তাই এটা এক রকমের সংলাপ, যা ভারতে আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে চলছে। নেড প্রাইস আরো বলেন, শিগগিরই ওয়াশিংটন ডিসিতে ২+২ বৈঠক হতে যাচ্ছে। কারণ, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে এর অবস্থান বড়।

উল্লেখ্য, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর এবং ইন্ডিয়া ককাসের কো-চেয়ার মার্ক ওয়ার্নার ও জন কর্নিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে একটি চিঠি লিখেছেন। এতে তারা রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের সামরিক অস্ত্র কেনার কারণে দেয়া অবরোধ সিএএটিএসএ প্রত্যহার দাবি করেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর