× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

দক্ষিণ কোরিয়ার নাটক দেখার কারণে স্কুল ছাত্রকে ফায়ারিং স্কোয়াডে হত্যার নির্দেশ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ দিন আগে) নভেম্বর ২৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৮:০০ অপরাহ্ন

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘স্কুইড গেম’ নিজের দেশে নেয়ার কারণে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। রায়ে বলা হয়েছে, ওই শিক্ষার্থীকে ফায়ারিং স্কোয়াডে প্রকাশ্যে হত্যা করতে হবে। নেটফ্লিক্সে ‘স্কুইড গেম’ ধারাবাহিক ব্যাপক জনপ্রিয়। এর কয়েকটি সিরিজ নিজের দেশে নিয়ে তা অন্যদের কাছে বিক্রিও করেছে ওই শিক্ষার্থী। অনলাইন নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড এ খবর দিয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, এই সিরিজকে উত্তর কোরিয়া ‘ভায়োলেন্ট ড্রামা’ বা সহিংস নাটক হিসেবে মনে করে থাকে। কর্তৃপক্ষ হাইস্কুল পড়ুয়া সাতজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে। দেখতে পায়, তারা স্কুইড গেম দেখছে।
ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ ব্যবহার করে এই ড্রামা শেয়ার করেছিল তারা। রেডিও ফ্রি এশিয়াকে উদ্ধৃত করে এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাচারকারীদের কাছ থেকে যে শিক্ষার্থী ড্রাইভে করে স্কুইড গেম নিয়ে গেছে তার অভিভাবক কর্তৃপক্ষকে তিন হাজার ডলার পরিশোধ করার পরও তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাকি যে ৬ শিক্ষার্থী ওই শো উপভোগ করেছে, তাদেরকে ৫ বছরের কঠোর শ্রম জেল দেয়া হয়েছে। এই শাস্তি আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে ওইসব শিক্ষার্থীর স্কুল পর্যন্ত। সেখানে যেসব শিক্ষক তাদের শিক্ষাদান করেন এবং স্কুলের প্রশাসক আছেন, তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শাস্তি হিসেবে তাদেরকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে খনিতে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলেছেন, চীন থেকে পাচারকারী এই শো’য়ের একটি কপি বহন করে নিয়েছে। তারপর তা কপি করে বিক্রি করেছে।

এ জন্য ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে ফায়ারিং স্কোয়াডে। সোমবার রেডিও ফ্রি এশিয়ার কোরিয়ান সার্ভিসকে উত্তর হ্যামগিয়ং প্রদেশের আইন প্রয়োগকারী একটি সূত্র বলেছেন, ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। ওই সময়ে হাইস্কুল পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী গোপনে দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রামা স্কুইড গেম ইউএসবি ড্রাইভে করে দেশে নিয়ে যায়। পরে তার ক্লাসের বেস্ট ফ্রেন্ডকে নিয়ে তা উপভোগ করে। এই শিক্ষার্থী আবার অন্যদের জানায়। ফলে তারাও আগ্রহী হয়ে ওঠে। ব্যস, ফ্লাশ ড্রাইভে করে শেয়ার হয় স্কুইড গেম।

কিন্তু ১০৯ সাংমু নামের এক ছদ্মবেশীর সেন্সরে ধরা পড়ে যায় তারা। উত্তর কোরিয়ায় চিন্তা ও সংস্কৃতিতে প্রতিক্রিয়াশীলতা নির্মূল করা বিষয়ে একটি নতুন আইন পাস হয়েছে। ফলে ১৮ বছরের নিচে বয়স, এমন ‘অপরাধী’দের বিরুদ্ধে সেদেশের সরকার প্রথমবারের মতো এই আইন প্রয়োগ করছে। পুঁজিবাদী দেশগুলো থেকে এমন নাটক বা সিনেমা দেখা অথবা তা নিজের কাছে রাখা অথবা তা মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়ার কারণে এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের কথা বলা আছে। ওই শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের পর কর্তৃপক্ষ অধিক পরিমাণ মেমোরি স্টোরেজ ডিভাইসের সন্ধান করছে, যেখানে বিদেশি মিডিয়ার জিনিসপত্র থাকতে পারে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Anwarul Azam
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৪১

ঘটনাটি হৃদয়বিদারক।

মোঃ মাহবুব আলম (আশিক
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:৩৬

মৃত্যুদন্ড বহান রেখে সময় বৃদ্ধি করুন, নতুন শুনানীর দিন ধার্য্য করুন। তারপর এই আইনের ধারাটি আরও শীথিল করে দন্ডটি আরও লঘু করুন কারন কঠোরতার মাত্রাধীক্যতাদ্রুত হিতে বিপরীত কর্ম সম্পাদনে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য যথেষ্ট হবে। তার পর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদন্ডাদেশ থেকে মুক্ত করার পথে হাটুন।

মোঃ মাহবুব আলম (আশিক
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:৩৪

মৃত্যুদন্ড বহান রেখে সময় বৃদ্ধি করুন, নতুন শুনানীর দিন ধার্য্য করুন। তারপর এই আইনের ধারাটি আরও শীথিল করে দন্ডটি আরও লঘু করুন কারন কঠোরতার মাত্রাধীক্যতাদ্রুত হিতে বিপরীত কর্ম সম্পাদনে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য যথেষ্ট হবে।

আবুল কাসেম
২৪ নভেম্বর ২০২১, বুধবার, ১১:৫৫

বিশ্বের বুকে সবচেয়ে বেশি অসহনশীল কমিউনিস্টরা। এতোটাই অমানবিকতা ও অসহিষ্ণুতার ব্যধি তাদের অভ্যন্তরে বাসা বেঁধেছে ভিনদেশের একটি মুভি দেখাকে অপরাধ গণ্য করা হয়েছে এবং একটি নিষ্পাপ কিশোরের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এরচেয়ে নির্মমতা আর কি হতে পারে! আসলে কমিউনিস্টদের হৃদয় মন বলতে কিছু নেই। নিষ্ঠুরতার জ্বলন্ত প্রতীক।মানুষ অন্য প্রাণীদের মতো নয়। যার অন্তরে দয়ামায়া, ক্ষমা, উদারতা, সহিষ্ণুতা নেই তার বাইরের কাঠামো বা অবয়ব দেখতে মানুষের মত হলেও তার ভেতরটা মানুষ নয়। এজন্যই আল্লাহ তায়ালা ঈমানদার লোকদের বার বার তাগিদ দিয়েছেন, মাপ কর, ক্ষমা কর, দয়া-অনুগ্রহ কর, সহানুভূতিশীল হও, দান কর, রহম কর ইত্যাদি। কমিউনিস্টদের চরিত্রে এসবের কিছু ছিটেফোঁটা আছে বলে মনে হয়না। প্রকৃতির বিরুদ্ধে চলতে চলতে প্রকৃতি একসময় বেঁকে যায়। প্রতিশোধ হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং সবকটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের উপর দিয়ে সিডর বয়ে যায়। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভাবে তারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। চীনের উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর নির্যাতন করা হচ্ছে বর্বরোচিত ভাবে। তারা তাদের কমিউনিস্ট অর্থনীতি থেকে সরে এসে উদার বাজার ব্যবস্থা গ্রহণ করে অর্থনৈতিক পতন ঠেকিয়েছে। কিন্তু নৈতিক অধপতন থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। সেজন্য প্রকৃতির প্রতিশোধ হিসেবে চীনও একসময় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়াবে। কারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন যদি মানবিকতার ছোঁয়া না পায় তা অর্থহীন। নিষ্ঠুর ধনীর চেয়ে দয়ালু, মানবিক গরীব মানুষের জন্য বেশি কল্যানকর। পরোপকারী মানুষই শ্রেষ্ঠ মানুষ। সৃষ্টিকর্তাও পরোপকারী মানুষকে পছন্দ করেন।

অন্যান্য খবর