× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ
পাকিস্তান

মসজিদের মাইকে খ্রিস্টান প্রতিবেশীর মৃত্যুর খবর প্রচারের অনুরোধ জানানোয় ধর্ম অবমাননার মামলা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ দিন আগে) নভেম্বর ২৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৩:১১ অপরাহ্ন

পাকিস্তানে তুচ্ছ কারণেই ৪ জনের বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ দায়েরের ঘটনা ঘটেছে। এরইমধ্যে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তরা স্থানীয় এক মসজিদের ইমামের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লে তাদের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা হয়। আল-জাজিরার খবরে জানানো হয়, ওই এলাকায় এক খ্রিস্টান ব্যাক্তি মারা গেলে ওই ৪ জন মসজিদের ইমামকে অনুরোধ করেন বিষয়টি মাইকে ঘোষণা করতে। কিন্তু খ্রিস্টান ব্যাক্তির মৃত্যুর খবর মাইকে প্রচার করতে অস্বীকৃতি জানান ইমাম। এ নিয়ে ইমামের সঙ্গে তর্ক হয় তাদের। এরই জেরে তাদের বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর লাহোরের কাছেই ‘খোদি খুশাল সিং’ নামের এক গ্রামে। ফারিয়াদ নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ১৮ নভেম্বর এই ব্লাসফেমি আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।
এখনো অভিযুক্তরা আটক রয়েছেন বলে জানান তিনি। পুলিশের রিপোর্টে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ৪ জনই মুসলিম। ওই এলাকায় এক খ্রিস্টান ব্যাক্তির মৃত্যু হলে সেটি মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা করার অনুরোধ জানান তারা। কিন্তু মসজিদ থেকে খ্রিস্টান ব্যাক্তির মৃত্যুর খবর প্রচারে রাজি না হলে ইমামকে তারা তাকে অভিশাপ দিতে থাকেন।

পাকিস্তানে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। দেশটিতে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। পাকিস্তান এখন পর্যন্ত ব্লাসফেমির অভিযোগে কাউকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেনি। তবে দেশটিতে কট্টোর ধর্মীয় মতাদর্শ জনপ্রিয় হওয়ায় প্রায়ই ইসলাম অবমাননার অভিযোগ তুলে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হতে দেখা যায়। আল-জাজিরার রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ১৯৯০ সালের পর থেকেই এমন অন্তত ৭৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে দেশটিতে।

এদিকে ওই ৪ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে এর নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরা। এমন একজন আইনজীবী নাদিম বলেন, কোনো মুসলিম যদি একজন খ্রিস্টানের মৃত্যুর খবর মসজিদ থেকে প্রচার করতে চান তাহলে এটি একটি দারুণ কাজ। এটি কোনোভাবেই কোনো ধর্মের উপরে আঘাত নয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
খোকন
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৪১

একজন মানুষ মারা গেছেন, এই খবরটা যদি অন্য কাউকে জানানো হয় মুসলিম দ্বারা অমুসলিমদের বা অমুসলিম দ্বারা মুসলিমদের, সেটা ব্যাক্তিগত ভাবে বা কোনো ধর্মীও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক হউক, তাতে কি নিজের ধর্মে উপর আঘাত পড়বে বা স্বধর্ম বিলীন হয়ে যাবে ? ধর্ম এতই সহজ যে মানুষে র উপকার অর্থেই তাহাম খালাস হবে ? মানুষ তো মানুষের জন্যে, জীবন তো জীবনের জন্যে, তাহলে কেনো আমরা ছোট খাটো ব্যাপারকে সমাজে বড়ো করে দেখিয়ে একটা শান্ত সমাজকে অশান্ত করছি ? না, এটা একে অপরের কার্যকলাপের প্রতিশোধের প্রতিশোধ নিচ্ছি ? হিন্দুরা এইটা করছে, খ্রিস্টানরা ওইটা করছে, মুসলিমরা জবাই করছে, বৌদ্দরা হত্যা করছে, ইহুদীরা জমি দখল করছে ইত্যাদি ইত্যাদি ? তাহলে কি একের দোষ অন্যের ঘাড়ে দিয়ে সমাজ ব্যবস্থাকে বৈশাখের সেই সমুদ্রের তরঙ্গের মত ফনা তুলে পাশের চাষের মাটি গুলোকে বিলীন করে দিচ্ছি ? হায়রে মানুষ, মানুষ হও, অমানুষ হইওনা, মরতে হবে সবাইকে, কেউ ক্ষমা পাবে না, তাই অনুরোধ করছি ধর্মের দোহাই দিয়ে পৃথিবীর পরিবেশটাকে অপবিত্র কইরেন না ? এটা এতই খারাপ যে এর চেয়ে মোটর গাড়ি, কল কারখানার ধুঁয়াও উত্তম।

শহীদুল আলম
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৩৯

পাকিস্তানের মেজরটি ধর্মের নামে ভন্ডামীতে সেরা। ভারতীয় উপমহাদেশে কুসংস্কারের আবির্ভাব তারা করেছে।

অন্যান্য খবর