× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ঠিক হয়নি: এফবিসিসিআই

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(২ দিন আগে) নভেম্বর ২৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৩:১৪ অপরাহ্ন

সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণে ব্যবসায়ীরা সমস্যার মধ্যে পড়বে। এছাড়া এখনো করোনার প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি ব‍্যবসায়ীরা। তাই এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এফবিসিসিআইর সভাপতি জসিম উদ্দিন। বলেন, বিশ্ব বাজারে বর্তমানে তেলের দাম কমেছে দেশেও দাম কমানো উচিত। জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ডলারের মতো বিশ্ব বাজারের সঙ্গে মিলিয়ে দাম কমানো-বাড়ানো প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার এফবিবিসিআই’র নিজস্ব ভবনে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে এফবিবিসিআই’র নেতৃত্বে বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সফরের ওপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় জসিম উদ্দিন বলেন, তেলের দাম কম থাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীরা যেসব কাজ হাতে নিয়েছে তার খরচ এখন বেড়ে যাবে। এতে সমস্যায় পড়তে হবে তাদের। এ কারণে তেলের দাম ডলারের দামের সঙ্গে সমন্বয় করা উচিৎ। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন তেলের দাম কমবে তখন বাংলাদেশেও কমবে।
যখন বাড়বে তখন বাংলাদেশেও বাড়বে। কিন্তু একসঙ্গে তেলের দাম ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আমাদের এখানে কোনো জিনিসের দাম একবার বাড়লে আর কমনো হয় না। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে, সামনে আরও কমবে। তাই বাংলাদেশের বাজারে তেলের দাম কমানো দরকার।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘ব্র‌্যান্ডিং বাংলাদেশ এখন সময়ের দাবি। আগে আমরা শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত ছিলাম। এখন আমরা লেদার, জাহাজ, সিরামিকসসহ অন্যান্য পণ্যও রপ্তানি করছি। এই বাজার আরও বাড়াতে হবে। না হলে আগামীর বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, বিদেশি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশকে তাদের মার্কেট মনে করতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে আমরা ৬টি বাণিজ্য চুক্তি করেছি। ইউকে মার্কেট ও ফ্রান্স মার্কেটে আগামীতে আমাদের বাণিজ্য আরও বাড়বে। এছাড়া আমরা বিদেশে অবস্থানরত দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশিদের আমাদের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছি। তারাই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংয়ে নেতৃত্ব দেবে।

জসিম উদ্দিন বলেন, বর্তমানে আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন ডলার। বাণিজ্য ঝুঁকি মোকাবিলা করতে আমাদের এটাকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত জিএপি সুবিধা পাবে বলেও মনে করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পর যদি ২০২৯ সালের পর্যন্ত বাণিজ্য সুবিধা বা জিএসপি সুবিধা পাই তবে আমরা বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ নিয়ে জসিম উদ্দিন বলেন, করোনার প্রভাবের কারণে খেলাপি ঋণ কিছুটা বেড়েছে। আমাদের ব্যবসায় ঝুঁকির মধ্যে আছে। তবে আগামী বছরের মধ্যেই আমরা তা ছাড়িয়ে আসতে পারবো। ৯৯ শতাংশ ব্যবসায়ীই লোন নিয়ে তা পরিশোধ করে দেয়ার মনোভাব রাখে। এক শতাংশ ব্যবসায়ী আছে যারা বিভিন্ন প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে। তবে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে আমরা সরকারের সাথে কাজ করছি। কারণ ব্যাংকিং খাত আমাদের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার রাখছে। বিশেষ করে পাওয়ার সেক্টরে যেসব উন্নয়নগুলো হয়েছে সেগুলো কিন্তু বেশিরভাগই দেশিয় ব্যাংকের লোনের মাধ্যমে হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Anwarul Azam
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৫৮

তেলের দাম বাড়ল আর সাথে সাথে গ্যসের গাড়ী গুলো রাতারাতি ডিজেল চালিত গাড়ি হয়ে গেল। এক সময় পরিবেশ বান্ধব গ্যাসের গাড়ি চালু করা হয়। ঢাকাবাসী ডিজেল তেলের ধোঁয়া থেকে বেশ ক'বছর দূরেই ছিল। আবারও সেদিকে যাচ্ছে কিনা সময়ই বলে দেবে।

জামশেদ পাটোয়ারী
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৯:০৭

এক্কেবারে শতভাগ যুক্তিসংগত কথা। জ্বালানী তেলের সাথে ভোজ্য তেলের দামও আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে নির্ধারণ করা উচিত। যখন যে দরে কেনা হবে সে দরে বাজারে বিক্রী হবে। অর্থাত আজ যদি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ে আজ থেকে যে তেল আমদানীর জন্য নথিভূক্ত হবে সে তেল যখন বাজারে আসবে তা বেশী দামে বিক্রী হবে। আজ বিশ্ব বাজারে বেড়েছে আর সাথে সাথে এখানে বাড়িয়ে দিতে হবে তাও কিন্তু নয়। বাড়তি টাকা দিয়ে কেনা তেল যখন বাজারে আসবে তখনই তা বেশী দামে বিক্রী হবে, এক কথায় বাড়তি টাকায় কেনা তেল বাড়তি দামে বিক্রী হবে। এরকম হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামত দাম বাড়াতে পারবেনা। আমাদের দেশের সরকার একবার বাড়ালে পরে তা কমে গেলেও আর কমানো হয়না। বাড়ানোর কারণে ব্যবসায়ীরা লাভ করতে থাকে জনগণ ধুকতে থাকে।

আবুল কাসেম
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৪৫

সরকার হুটহাট করে একযুগ ধরে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ- এর দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। কারো কথায় কর্ণপাত করা হচ্ছেনা। বিশ্লেষকরা বলছেন এবার ডিজেল কেরোসিনের দাম বাড়িয়ে সরকার ভুল করেছে। কেউ বলছেন গর্তে পড়ে বের হওয়ার জন্য রাস্তা খুঁটতে গিয়ে ডিজেল কেরোসিনের দাম বাড়িয়ে সরকার গর্তটাকে আরো গভীর করেছে। কেউ বলছেন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুই বিবেচনায়ই ডিজেল কেরোসিনের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভুল। একটা বিষয় লক্ষণীয়, ডিজেলের দাম বাড়লো ২৩ শতাংশ আর বাসাভাড়া বাড়ানো হয়েছে ২৭ শতাংশ। এদিক থেকে ভাবলে বুঝা যাচ্ছে সরকার গাছেরটা ও নিচেরটা দুটোই হস্তগত করেছে। তাহলে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে, গণপরিবহন ব্যবসাও কি সরকারের? অবশ্য সরকারের লোকজনের হওয়ায় প্রকারান্তরে সরকারেরই। নাহলে জনগণের পকেট কেটে এমন গনবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া কি সম্ভব? গণপরিবহন মালিক ও সরকারের স্বার্থ এক মোহনায় মিশে গেছে। ২৭ শতাংশ বেশি ভাড়া আদায় করেও ছাত্র ছাত্রীদের জন্য হাফ ভাড়া নিতে রাজী নয়। যেন একটা মগের মুল্লুক আর কি! অর্থনীতির ও উন্নয়নের চাকচিক্যের নিচে চাপা পড়ে 'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়' হওয়ার সম্ভাবনা খুবই নিকটবর্তী। নব্বই ভাগ হতদরিদ্রের পকেট কেটে দশভাগ সুবিধাভোগীর পকেট ভরপুর করা উন্নয়নের মাপকাঠি হতে পারেনা। অল্প কিছু লোক উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে ভাসতে একতরফা ঢোল পিটিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দুঃখ দূর করা সম্ভব হবেনা। জনজীবনের মাথার উপর থেকে জগদ্দল পাথরের মতো চাপিয়ে দেওয়া অতিরিক্ত করের বোঝা, পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলের বোঝা সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্যান্য খবর