× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার , ১৪ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

নবীগঞ্জে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১৩ বিদ্রোহী বহিষ্কার

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নবীগঞ্জ থেকে
২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

নবীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরীসহ ১৩ বিদ্রোহীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থীকে মদত দেয়ার অভিযোগে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ আহ্বায়ক আলহাজ ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নির্দেশনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আবু জাহির এমপি, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী এবং জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বুরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত পত্রে বহিষ্কারাদেশ ও সাময়িক অব্যাহতির নির্দেশনা বাস্তবায়িত হয়।
ওদিকে, পানি উমদা ইউনিয়নের রইচগঞ্জ বাজারে ২৭শে নভেম্বর পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। দুই প্রার্থীর একস্থানে সমাবেশকে কেন্দ্র করে ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্র্রেট শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ সূত্র জানায়, ২৮শে নভেম্বর তৃতীয়ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে মনোনয়ন বঞ্চিতরা বিদ্রোহী হিসেবে সরব হন। এ ঘটনায় অধিকাংশ ইউনিয়নেই কোণঠাসা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী। উপজেলায় আলোচিত গজনাইপুর ইউনিয়নে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল বিদ্রোহী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন।
ওই ইউনিয়নে নৌকার মাঝি সাবের আহমেদ মুকুল দাপটে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। বিদ্রোহী প্রার্থী মুকুলের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ওপর হামলা ও নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। অপরদিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে নৌকার বিপরীতে বিদ্রোহী হন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু। তাকে নিয়ে সরব হন সহোদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী। এছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী সাজুকে মদত দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগের আহ্বায়ক আলহাজ ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম। এ ঘটনায় সাইফুলের পাশাপাশি তাকেও দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বিদ্রোহী হিসেবে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃতরা হলেন, পূর্ব-ভাকৈর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি খালেদ মোশাররফ, সাবেক চেয়ারম্যান ও  আওয়ামী লীগ নেতা মেহের আলী মহালদার, আওয়ামী লীগ নেতা জায়েদ উদ্দিন, যুবলীগ নেতা নোমান
হোসেন, উপজেলা কৃষকলীগ নেতা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল মুকিত, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা তালেব উদ্দিন নিজাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাশ রানা, আওয়ামী লীগ নেতা জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা জুনেদ হোসেন কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইমদাদুল হক চৌধুরী, দেবপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমেদ। এ নিয়ে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবেই কেন্দ্রের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বহিষ্কৃত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক অধিকার। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার পরিবার।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর