× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার , ৬ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

সন্তানের লাশ টয়লেটে বাবা আটক

বাংলারজমিন

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ২ দিন ছেলের লাশ রেখে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছে মা-বাবাসহ পরিবারের লোকজন। এ ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নস্থ নরিনা পূর্ব পাড়ায়। ২ দিন পর গতকাল দুপুরে বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে করিম (১৮) নামের যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বাবা-মাকে আটক করা হয়েছে।
জানা গেছে, শাহজাদপুর নরিনা ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে করুনা বেগম নির্বাচনে প্রার্থী হন। তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে। হঠাৎ করেই গত মঙ্গলবার রাতে ছেলে খাওয়া-দাওয়া করে শুয়ে পড়ে। পরদিন ভোরে তার মা ছেলে করিমকে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া না পেয়ে ছোট ছেলের ঘর থেকে উঁকি দিয়ে তার লাশ ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলন্ত দেখতে পায়।
পরে নিহতের বাবা আলহাজ ও তার মা করুনা বেগম মিলে মিলে করিমের লাশ নামিয়ে বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে বালি চাপা দিয়ে ঢেকে রাখে। এদিকে মৃত করিমের পিতা আলহাজ বলেন, ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়েছিল তাই আমি গাঁড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের কাছে গিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেছি। পরে ঘটনাস্থলে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল হোসেন ও শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদ মাহমুদ খান পরিদর্শক (অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) আব্দুল মজিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) আব্দুল মজিদ বলেন, আমরা খবর পেয়ে সকালেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে বিকাল আনুমানিক ৪টায় লাশ টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এটা মৃত্যু নাকি আত্মহত্যা বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য করিমের বাবা ও মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদেই প্রকৃত সত্য ঘটনা বেড়িয়ে আসবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর