× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার , ৬ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বরগুনায় জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

বাংলারজমিন

বরগুনা প্রতিনিধি
২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের একটি পরিবারের জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বরগুনার বেতাগী উপজেলার চান্দখালী কলেজ গেট এলাকায় শিবু ডাক্তারের ছেলে সঞ্জীব কুমার সমীর শীলের ক্রয়কৃত জমিতে একই এলাকার প্রভাবশালী লাল মাস্টারের ছেলে সগীর রাতের আঁধারে দুটি ঘর নির্মাণ করেছেন। গত ২৩শে নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিবু ডাক্তার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ও চান্দখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিবু ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বড় ছেলে সঞ্জীব কুমার সমীর আমার কাছ থেকে আয়লা চান্দখালী মৌজার ২৮০নং খতিয়ানের ১১৬৪ নং দাগে পাঁচ কড়া জমি ক্রয় করে। গত দেড় বছর আগে সে জমির দলিল বের হয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী মৃত আ. আজিজের ছেলে সগীর ও তার ভাইয়েরা আমার ছেলের ক্রয়কৃত জমিতে দাবি করে সে জমির উপরে গত মঙ্গলবার প্রভাব খাটিয়ে রাতের আঁধারে দুটি ঘর তুলেন। এ বিষয়ে  আমি চান্দখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রুহুল আমীনকে অবহিত করলে সে কোনো গুরুত্ব না দিয়ে আমাকে পাঠিয়ে দেয় এবং বলে তোমার ছেলে জমি পাবে না।
সগিরের কাগজ সঠিক রয়েছে। এ জমির উপরে বর্তমানে আদালত মামলা চলে। মামলা চলাকালীন অবস্থায় একজন পুলিশ ইনচার্জ কীভাবে বলে আপনার কাগজ সঠিক নয়। সগিরের কাগজ সঠিক রয়েছে।
এ বিষয়ে কাজিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সঞ্জীব কুমার সমীরের জায়গা দখল করে রাতের আঁধারে সগীর ঘর তুলেছেন। বিষয়টি বর্তমানে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত করছে। অভিযুক্ত সগীরের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক দিন আগে আমি এ জমি ক্রয় করেছি। আমার ক্রয়কৃত জমিতে আমি দখল নিয়েছি অন্য কিছুই নয়। চান্দখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রুহুল আমিন আমাকে বলেছেন আমার কাগজই সঠিক।
এ ব্যাপারে চান্দখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রুহুল আমীনের মোবাইল নম্বরে বার বার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।




অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর