× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার , ১৩ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা / মাসুমের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন ইমিগ্রেশনে চিঠি

শেষের পাতা

জাহিদ হাসান, কুমিল্লা থেকে
২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল হত্যা মামলার আসামি মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল বিকালে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয় তাকে। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান, আসামিরা যেন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশনে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

নিহত কাউন্সিলরের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন ১১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে ২৩শে নভেম্বর রাতে মামলা করলেও নেপথ্যে থাকা সুজানগর, নবগ্রাম, পাথুরিয়াপাড়া এলাকার বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী গতকাল পর্যন্ত গা-ঢাকা দিয়ে আছেন। এদিকে, পুলিশসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলমকে ঘটনার ৫ দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। গ্রেপ্তার অপর আসামি সুমন কিডনিজনিত সমস্যার কারণে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান, ওই শাহ আলমের বিরুদ্ধে হত্যা, দস্যুতা, মাদকসহ অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে। এদিকে, কাউন্সিলর সোহেলের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়ে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাথুরিয়াপাড়া যুবসমাজ গতকাল ওই এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক কায়ছার হামিদ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল বিকালে ৭ দিনের রিমাণ্ডের আবেদন জানিয়ে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সামছুর রহমানের আদালতে প্রেরণ করা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত আবেদনের শুনানি হয়নি।
তবে আদালত আসামিকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
কুমিল্লা সদর আসনের এমপি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি সোহেল হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মিডিয়াতে যে অস্ত্রগুলো দেখানো হয়েছে, একটি অস্ত্রও সোহেলের হত্যার সঙ্গে জড়িত না। সোহেলের বুলেট ইনজুরি ছিল। এক্সরেতে দেখা গেছে এগুলো বুলেট। হত্যাকাণ্ডে ছররা গুলি ব্যবহার করা হয়নি। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লায় কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ আহতদের খোঁজখবর নিতে গিয়ে এমপি বাহার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এত অসচেতন কেন পুলিশ, তা আমি জানি না। এজন্য এ সমস্ত সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়। তাদের তো ডাক্তার সাহেব থেকে খবর নেয়ার দরকার ছিল হত্যাকাণ্ডে কী গুলি ব্যবহার করা হয়েছিল। সঠিকভাবে না জেনে মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করা ঠিক হয়নি বিষয়টি। আমি বলবো পুলিশকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক অস্ত্র ও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
তার আগে কুমিল্লা নগরীর ১৭নং ওয়ার্ড পাথুরিয়াপাড়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহত কাউন্সিলর সোহেল ও হরিপদ সাহার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। হত্যার বিচারের আশ্বাস দিয়ে যেকোনো সমস্যায় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান, এ মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক টিম মাঠে অভিযানে রয়েছে। এরমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিরা যেন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশনে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর