× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

‘আফগান ক্রিকেটে অংশগ্রহণ থাকছে নারীদের’

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

ক্ষমতার পালা-বদলে এখন আফগানিস্তানে চলছে তালেবান শাসন। তারা ক্ষমতায় আসার পরই নিষিদ্ধ করেছে নারীদের খেলাধুলা। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে আফগান নারী ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ। আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্য দেশ আফগানিস্তান। পূর্ণাঙ্গ সদস্য হওয়ার অন্যতম শর্ত, নারী ক্রিকেট দল থাকা। নারীদের ক্রিকেট বন্ধ থাকায় পূর্ণ সদস্য পদ হারাতে পারে আফগানিস্তান। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) নতুন চেয়ারম্যান মিরওয়াইস আশরাফ।
মেয়েদের ক্রিকেটে আফগানদের অংশগ্রহণ থাকছে বলে জানান এসিবির নতুন চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘নারী ক্রিকেট আইসিসির অন্যতম প্রধান অংশ, তাই এখানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই ক্রিকেট খেলবে এবং আমরা তাদের মৌলিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয় সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে চাই।’ কয়েক মাস আগেই তালেবান সরকারের সংস্কৃতি কমিশনের প্রধান আব্দুল্লাহ ওয়াসেক নারী ক্রিকেট নিষিদ্ধের কারণ ব্যাখা করেছিলেন। সেখানে তার যুক্তি ছিল ইসলামী শরীয়াহ আইন। ওয়াসেক বলেছিলেন, বর্তমান মিডিয়ার যুগে ছবি কিংবা ভিডিও কোন কিছুই এখন আর মানুষের চোখ এড়ায় না। ইসলাম এবং ইসলামিক আমিরাত কখনোই নারী ক্রিকেট সমর্থন করে না।

এমনকি নারীরা যে খেলায় বেশি বেশি ‘এক্সপোজড’ হবে সেটাও ইসলাম সমর্থন করে না।
আফগানিস্তানে নারী ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায় অস্ট্রেলিয়া। স্থগিত করে দেয় আফগানদের সঙ্গে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। আফগান ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থার উপর কড়া নজরদারি করছে আইসিসি। সম্প্রতি একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে তারা। চার সদস্যের সেই কমিটি আগামী মাসে প্রতিবেদন জমা দেবেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর