× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

অভিষেক ইনজুরিতে রাব্বির সঙ্গী যারা

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
৩০ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

প্রায় আড়াই বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চট্টগ্রাম টেস্টে অভিষেক হয় ইয়াসির আলী রাব্বির। কিন্তু সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজের অভিষেক টেস্টে ভালো খেলতে খেলতেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে চোট তাকে ঠেলে দিয়েছে মাঠের বাইরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক টেস্টেই চোটে পড়ার বেশ কয়েকটি ঘটনাই আছে। অভিষেকে চোটে পড়া ক্রিকেটারদের তালিকায় ইয়াসিরের সঙ্গী কারা, একনজরে দেখে নেয়া যাক।
ক্রেইগ ওভারটন (ইংল্যান্ড): ২০১৭-১৮ অ্যাশেজ সিরিজে অভিষেক হয় ইংল্যান্ডে পেসার ক্রেইগ এভারটনের। ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার এই পেসার প্রথম থেকেই দারুণ বোলিং করছিলেন। গতি আর সুইংয়ের সমন্বয়ে জড় তোলেন উইকেটে। কিন্তু ভাগ্য তাকে সহায়তা করেনি।
ব্যাটিংয়ে নেমে প্যাট কামিন্সের বাউন্সার লাগে তার পাঁজরে। মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় তাকে। তবে সুস্থ হয়ে তিনি সিরিজের বাকি টেস্টগুলোতে খেলেছিলেন।
বয়েড র‌্যানকিন (আয়ারল্যান্ড/ইংল্যান্ড): র‌্যানকিন আয়ারল্যান্ডের হয়েই খেলা শুরু করেছিলেন। তবে টেস্ট খেলতে ইংল্যান্ডে চলে যান। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে তার টেস্ট অভিষেক হয়। স্বপ্নের টেস্ট খেলতে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে তিনি বোলিং করতে পেরেছিলেন মাত্র ৮.২ ওভার।
শার্দূল ঠাকুর (ভারত): ২০১৮ সালে টেস্ট অভিষেক হয় শার্দূল ঠাকুরের, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। মোহাম্মদ শামিকে বিশ্রাম দেয়ায় টেস্টের দুয়ার খুলে গিয়েছিল ঠাকুরের জন্য। কিন্তু অভিষেক টেস্টেই কুঁচকির চোটে পড়েন তিনি। বোলিং করতে পেরেছেন মাত্র ১০টি বল। সে টেস্টে আর মাঠেই নামতে পারেননি ঠাকুর।
শিখর ধাওয়ান (ভারত): শিখর ধাওয়ানের টেস্ট অভিষেকটা অবশ্য স্মরণীয়ই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০১৩ সালে অভিষেকেই তিনি ১৮৭ রানের দুর্দান্ত একটা ইনিংস খেলেছিলেন মোহালিতে। সেই ইনিংসটিতে একটা রেকর্ডও করেছিলেন ধাওয়ান। অভিষেকে দ্রুততম শতক। কিন্তু ধাওয়ান ইনিংসটাকে আরও বড় করতে পারেননি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হাতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
ইমাম-উল-হক (পাকিস্তান): আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৮ সালে নিজের টেস্ট অভিষেকেই চোট পান পাকিস্তানের ইমাম-উল-হক। সেটি ছিল আয়ারল্যান্ডেরও অভিষেক টেস্ট। ইমাম চোট পান ম্যাচের প্রথম বলেই। নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে দাঁড়িয়ে ইমামের চোটটা ছিল চরম দুর্ভাগ্যজনক। আজহার আলীর ডাকে একটি রান নিতে দৌড় শুরু করেছিলেন ইমাম। কিন্তু দৌড়ের একপর্যায়ে আয়ারল্যান্ড দলের নেইল ও’ব্রায়ান ও টাইরন কেনের মাঝে পড়ে যান তিনি। তাদের সঙ্গে ধাক্কা খান। ভালোই চোট পান তাতে। পরে অবশ্য চিকিৎসা শেষে মাঠে ফিরতে পেরেছিলেন।
জেরেমি সোলোজানো (ওয়েস্ট ইন্ডিজ): টেস্ট অভিষেকে ভয়াবহ চোট পাওয়াদের তালিকায় ইয়াসিরের ঠিক আগের নামটা জেরেমি সোলোজানোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যান ক’দিন আগেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে ফিল্ডিং করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। শর্ট ফাইন লেগে ফিল্ডিং করছিলেন তিনি। শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান দিমুথ করুনারত্নের সজোরে মারা বলটি আঘাত করে তার মাথায়। হাসপাতালে নিতে হয়েছে তাকে। সেখানে স্ক্যান করার পর সুখবরই মেলে। আঘাতটা জোরে হলেও বড় কিছু ঘটেনি সোলোজানোর।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর