× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

দ্বিতীয় ইনিংসেও ত্রাণকর্তা লিটন

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
৩০ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

দিনের প্রথম ওভারে উইকেট হারানো বাংলাদেশ প্রথম সেশনে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি ও লিটন দাসের ব্যাটে। হেলমেটে বল লাগায় অভিষিক্ত ইয়াসির মাঠ ছাড়ার পর লড়াই চালিয়ে যান লিটন। কিন্তু শেষের ধসে আরও বড় হয়নি বাংলাদেশের লিড। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫৯। বাংলাদেশ লিড পায় ২০১ রানের। পাকিস্তানের শাহীন শাহ্‌ আফ্রিদি ৫ উইকেট নেন ৩২ রানে। ম্যাচে তার উইকেট ৭টি। দলের সবশেষ টেস্টে এই বাঁহাতি ফাস্ট বোলার ১০ উইকেট নিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে বাংলাদেশ শুরু করে দিন।
প্রথম বলে হাসান আলীকে দৃষ্টিনন্দন ফ্লিক শটে চার মারেন মুশফিকুর রহীম। হাসান এক বল পরই করে দুর্দান্ত এক ডেলিভারি। অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করা বল অনেকটা ঢোকে ভেতরে। বাইরে দিয়ে যাবে ভেবে বল ছেড়ে দিয়ে মুশফিক শোনেন স্টাম্প উপড়ে যাওয়ার শব্দ। পরের ব্যাটসম্যান লিটনকেও অল্পতে হারাতে পারতো বাংলাদেশ। নুমান আলীর বলে ৯ রানে তাকে স্টাম্পিং করতে পারেননি মোহাম্মদ রিজওয়ান। ইয়াসির ততক্ষণে উইকেটে জমে গেছেন। খেলে ফেলেছেন দারুণ কয়েকটি শট। বিশেষ করে নুমান আলীর বলে দু’টি কাভার ড্রাইভ ও শাহীন শাহ্‌ আফ্রিদির বলে ফ্লিক শট ছিল দেখার মতো। আফ্রিদির বলেই থামে তার সম্ভাবনাময় ইনিংস। বাঁহাতি ফাস্ট বোলারের রাউন্ড দ্য উইকেটে করা শর্ট বল ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন ইয়াসির। কিন্তু ১৪৪ কিলোমিটার গতির বলটি অনেকটা নিচু হয়ে আঘাত করে ইয়াসিরের হেলমেটে। তখন ফিজিওর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ব্যাটিং করে গেলেও পরের ওভার শেষেই মাঠ ছাড়েন ইয়াসির। পরে দল থেকে জানানো হয়, তার কনকাশন বদলি হিসেবে নেওয়া হয়েছে সোহানকে। অভিষেক টেস্টে ঘরের মাঠে প্রথম ইনিংসে ৪ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ইয়াসিরের ইনিংস থামে ৩৬ রানে।  মিরাজ কিছুক্ষণ সঙ্গ দেন লিটনকে। তবে বড় হয়নি সেই জুটি। অফ স্পিনার সাজিদ খানের দারুণ টার্নে মিরাজ এলবিডব্লিউ হন ১১ রানে। স্টাম্পিং হওয়া থেকে বেঁচে যাওয়ার পর দারুণ খেলে দলকে এগিয়ে নেন লিটন। লাঞ্চের পর সোহানও শুরুটা করেন ভালো। জমে উঠতে থাকে জুটি। তখনই সোহানের ব্যাখ্যাতীত খামখেয়ালিপনা। অফ স্পিনার সাজিদ খান বল করছিলেন লং অন ফিল্ডার সীমানায় রেখে। নীরিহ এক ডেলিভারিত পা বাড়িয়ে উড়িয়ে মারেন সোহান। সীমানায় ক্যাচ নিতে ভুল করেননি ফাহিম আশরাফ। পরের ওভারেই আফ্রিদি ফিরিয়ে দেন তাদের সামনে মূল বাধা হয়ে থাকা লিটনকে। ৮৯ বলে ৫৯ রানে থামে তার লড়াই। প্রথম ইনিংসে ১১৪ রান করেন বাংলাদেশের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। দলের শেষ ৩ ব্যাটসম্যান রানের মুখই দেখতে পারেননি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর