× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

‘বিদেশে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস’

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ১, ২০২১, বুধবার, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তির পর কয়েকদিন আত্মগোপনে থাকা রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী বিদেশে পালাতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। আজ ভোরে রাজধানীর কাকরাইলের হোটেল রাজমনি ঈশা খাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র‌্যাব। তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর থেকেই তাকে খোঁজা হচ্ছিল। গত ২৩ তারিখ থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে ছিলেন। মঙ্গলবার তিনি হোটেলে ঈশা খাঁয় অবস্থান নিলে র‌্যাব গোয়েন্দারা জানতে পারে। কমান্ডার মঈন বলেন, তার কাছে পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। তার দেশত্যাগের পরিকল্পনা ছিল।
র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে যে বক্তব্য প্রচার হয়েছে, সেটা মেয়র আব্বাসেরই বক্তব্য, তিনি সেটা আমাদের জানিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তিনি ওই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন- এমন কিছু মেয়র আমাদের বলেননি।

নৌকা প্রতীক নিয়ে টানা দুইবার রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত আব্বাস আলী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সম্প্রতি ওই অডিও টেপ ফাঁস হওয়ার পর তাকে পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদের পাশাপাশি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও টেপে বলতে শোনা যায়, রাজশাহী সিটি গেইটে বঙ্গবন্ধুর যে ম্যুরাল করার নকশা দেওয়া হয়েছে, সেটা ‘ইসলামি শরিয়ত মতে সঠিক নয়’। এটা করতে দিলে ‘পাপ হবে’।

এরপর রাজশাহীর নগরের রাজপাড়া, বোয়ালিয়া ও চন্দ্রিমা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনটি মামলা হয় আব্বাসের বিরুদ্ধে। মেয়র আব্বাস প্রথমে দাবি করেছিলেন, ওই অডিও ‘এডিট করা’। তবে পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি স্বীকার করেন, ওই অডিও তিন-চার মাস আগের, ওই বক্তব্যও তার। মেয়র সেখানে বলেন, স্থানীয় একটি মাদ্রাসার বড় হুজুরের কথায় প্রভাবিত হয়ে তিনি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল না রাখার বিষয়টি বলেছিলেন ‘কথাচ্ছলে’। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলতে থাকেন, যদি এটা এত বড় ভুল হয়ে থাকে, সেজন্য তিনি ক্ষমা চান। ‘চক্রান্ত হচ্ছে’ দাবি করে সবাইকে পাশে দাঁড়ানোরও অনুরোধ করেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Razzak
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১:১১

If you support islam, Allah will help you.why you cry?

অন্যান্য খবর