× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

জানাজা ছাড়াই দাফন হলো বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই আসামির লাশ

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ১, ২০২১, বুধবার, ১:১১ অপরাহ্ন

জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল ও সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যা মামলার দুই আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সাব্বির ও সাজনের লাশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশি পাহারায় সীমিতসংখ্যক পরিবারের সদস্য নিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়। তবে এ সময় কোনো মাওলানা ও এলাকার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেননি।

নগরীর চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কায়সার হামিদ বলেন, বন্দুকযুদ্ধে নিহতের লাশ এলাকায় দাফন না করার জন্য সকালে বিক্ষোভ করেছিল স্থানীয়রা। তাই বিকেল কবরস্থান এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এলাকায় মরদেহ না নিয়ে সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রিত নগরীর টিক্কারচর কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও তাদের নামাজে জানাজা পরতে কোনো মাওলানা ও মুসল্লি এগিয়ে আসেননি। পরে জানাজা ছাড়াই মাগরিব নামাজের কিছু আগে সাব্বির হোসেন ও মো. সাজনের মরদেহ দাফন করা হয়।

গত সোমবার মধ্যরাতে জোড়া খুনের মামলায় দুই আসামি সুজানগর এলাকার রফিক মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন (২৮) ও ৫ নম্বর আসামি সংরাইশ এলাকার কাকন মিয়ার ছেলে সাজন (৩২) বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।
উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর বিকেলে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা মারা যান। এছাড়া আরও ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন।।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mohammad Sirajullah,
৩ ডিসেম্বর ২০২১, শুক্রবার, ১০:৫২

According to Muslim doctrine the living people must do whatever it is needed for burial of a dead body. It is Far e Ain which means if some does it it is done on behalf of everyone. If no one does it whole community is responsible and punishable as breaker of a Farz. The main problem is that in the Bangladesh, People are Mosalman but not Muslims.

Peyar
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৯:২৪

It's not good decision......

khaled
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৮:৪২

this is the worst example as a Muslim. To protest an offense, you can't commit another offense. Remember when a person becomes dead, he/she can't do anything harmful for you.

ANU
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৬:১৩

খুব বাজে উদাহরন হয়ে থাকলো ।আল্লাহ্‌ সবাই কে বুঝার তৌফিক দান করুন।

মিলন
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৪:৩১

যারা মারা গেছে তারা যতই পাপি হোক মুসলমান।জানাজা না পড়ার কারনে সে এলাকার সকল মানুষ গুনাহগার হবে।বে নামাজির ফতোয়া কি তা দেখেন।তাহলে তো কোনও বে নামাজি মুসলমানের এর জানাজা পড়া উচিত না।খুব বাজে উদাহরন হয়ে থাকলো এ ঘটনা।আল্লাহ্‌ সবাই কে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।

নেছার আহমেদ
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৩:৫৫

একটা মুসলিম যত খারাপই হোক জানাজা পাওয়া তার ধর্মীয় ও জন্মগত অধিকার। কোন সন্দেহ নেই যে তারা ঘৃণিত হত্যা মামলার আসামি। কিন্তু তাদেরঅও আইনের মাধ্যমে বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল। বিনা বিচারে হত্যাকে সমর্থন করলেতো আসামিরা যেটা করেছে সেটাকেও সমর্থন করা হয় !! অতয়েব যেগুলো ঘটানো হল বন্দুক যুদ্ধের নামে এবং জানাজার লোক না পাওয়ার নামে তা কিন্তু ভবিষ্যতে অনেকের খেত্রেও ঘটানোর লাইসেন্স। অতয়েব সাধু সাবধান !! অন্যায় কিন্তু অন্যায়ই, সেটা যার মাধ্যমেই ঘটুক।

Citizen
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৩:২৬

Not a good sign. This incident is a record of Awami misrule in country. They were not convicted by any court. Police shot them dead. What is the purpose of judiciary and court in country?

Kazi
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১:২৭

এই উদাহরণ থেকে সন্ত্রাসীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত । কারণ মানুষ শান্তিপ্রিয় । সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পছন্দ করে না । সন্ত্রাসীদের জানাজা পড়তে ও ঘৃণা করে ।

অন্যান্য খবর