× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

খুব কাছাকাছি নতুন দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ১, ২০২১, বুধবার, ৩:৫৫ অপরাহ্ন

এ যাবতকালের মধ্যে খুব কাছাকাছি বিশাল আকারের দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিদরা। এর দূরত্ব মাত্র ৮ কোটি ৯০ লাখ আলোকবর্ষ। এর অবস্থান এনজিসি ৭৭২৭ নামের ছায়াপথে। এর আগে যেসব কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কৃত হয়েছে তার দূরত্ব ৪৭ কোটি আলোকবর্ষ। ফলে নতুন আবিষ্কার করা কৃষ্ণগহ্বর সবচেয়ে কাছের। তবে এই দুটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্লাকহোলের মধ্যে দূরত্ব ১৬০০ আলোকবর্ষ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই দুটি কৃষ্ণগহ্বর ক্রমশ বড় হবে এবং একটি আরেকটির কাছাকাছি চলে আসছে। একসময় তারা একটি আরেকটির সঙ্গে মিশে যাবে।
এর মধ্য দিয়ে দুই কৃষ্ণগহ্বর মিলে একটি বিশাল কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হবে। এই আবিষ্কারের ফলে শুধু এটাই প্রমাণ হয়নি যে, এনজিসি ৭৭২৭ ছায়াপথ এই দুটি ছায়াপথের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। একই সঙ্গে বিষ্ময়কর সব তথ্য দিচ্ছে যে, কিভাবে বিশাল ভরের ব্লাকহোলগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি সংযুক্ত হয়।

ফ্রান্সের স্ট্রাসবোর্গ অবজার্ভেটরির জ্যোতির্বিদ কারিনা ভোগেল বলেছেন, প্রথমবারের মতো আমরা দুটি বিশাল ভরের ব্লাকহোলের সন্ধান পেলাম। তারা একটির খুব কাছে রয়েছে আরেকটি। এর আগের ব্লাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যে মিলিত হওয়ার জন্য যে দূরত্ব বলা হয়েছিল, এদের ক্ষেত্রে সেই দূরত্ব অর্ধেকের কম।

বিশাল ভরের এসব কৃষ্ণগহ্বরের জোড়া নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের আগ্রহের বহু কারণ আছে। বেশির ভাগ ছায়াপথেই পাওয়া যায় বিশাল ভরের কৃষ্ণগহ্বর। এটি থাকে কেন্দ্রে- নিউক্লিয়াসের মতো। আর সবকিছু তাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। যখন দুটি কৃষ্ণগহ্বর একসঙ্গে দেখা গেছে, তখন এ থেকে ইঙ্গিত মিলেছে যে, দুটি ছায়াপথ একত্রিত হয়েছে। আমরা জানি এ প্রক্রিয়া ঘটমান।

মহাকাশে আমাদের সূর্য্যরে চেয়ে কোটি কোটি গুন ভারি বস্তু আছে। এসব নক্ষত্র বা বস্তু এত অবিশ্বাস্যরকম ভারি কেন হয় তার ব্যাখ্যা করে বিশাল ভরের এমন জোড়া কৃষ্ণগহ্বর। এমন জোড়া কৃষ্ণগহ্বর একটি অন্যটির কাছাকাছি আসতে আসতে তার আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিভাবে আকার বৃদ্ধি পায় তা বুঝতে এই ভারি দুটি কৃষ্ণগহ্বর আমাদেরকে সাহায্য করবে। এ থেকে নতুন এবং অধিক নির্ভেজাল মডেল বেরিয়ে আসবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর