× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

মাদারীপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিক্ষুককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বাংলারজমিন

মাদারীপুর প্রতিনিধি
৬ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহরাব হোসেন খান ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে খলিল খাঁ নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগকারী খলিল খাঁ (৩৫) মস্তফাপুর ইউনিয়নের খৈয়রভাঙ্গা এলাকার রশিদ খাঁর ছেলে।
জানা গেছে, গত ২৮শে নভেম্বর মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপের এ নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন সোহরাব খান। অপরদিকে আরেক স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পরাজিত হন। এ নির্বাচনে মজিবর রহমানকে সমর্থন করে ভিক্ষুক খলিল। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক খলিলকে গত শুক্রবার সকালে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে একা পেয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহরাব খানের ভাই আনোয়োর খান ও তার ছেলে সজিব খানসহ বেশ কয়েকজন। পরে এ ঘটনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই ভিক্ষুক বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করেন।
ভিক্ষুক খলিল অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার সকালে আমি মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে ভিক্ষা করতে যাই। ভিক্ষা করেই আমার সংসার চলে। বাসস্ট্যান্ডে একা পেয়ে সোহরাব খানের নির্দেশে তার ভাই ও ভাইয়ের ছেলে দলবল নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে সবাই মিলে মারধর করে। আমি এ ঘটনার বিচার দাবিতে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত মস্তফাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ভিক্ষুককে আমি মারধর কেন করবো। তবে ওই ভিক্ষুকের সঙ্গে একটু ঝামেলা হয়েছিল, যা পুলিশের এসআই খসরু এসে মীমাংসা করে দিয়েছে। মাদারীপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মাদারীপুরের পুলিশ সুপার গোলাম মস্তফা রাসেল বলেন, থানায় যদি অভিযোগ দেয় তাহলে ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর