× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বরগুনায় কমিটি বিরোধে প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ

বাংলারজমিন

বরগুনা প্রতিনিধি
৬ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

বরগুনার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিরোধের জেরে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে রুমে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে পুলিশ ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। গতকাল সকালে বেতাগী উপজেলার কুমড়াখালী শঁশী ভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। কুমড়াখালী শঁশী ভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঈনুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক মাস ধরে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ফণি ভূষণ ও বর্তমান সভাপতি জয়ন্তি রাণীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। পূর্ব ঘোষিত নোটিশ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়ার জন্য গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় বিদ্যালয়ে যাই। এরপর সাবেক সভাপতি ফণি ভূষণ ও কমিটির সদস্য বিনয় ভূষণ সিংহসহ ১০-১২ জন লোক এসে আমাকে অকথ্য গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমাকে লাঞ্ছিত করে। মোবাইল ফোন ছিনতাই করে রুমে আটকে তালাবদ্ধ করে রাখে।
পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ এ কল করে জানালে বেতাগী থানা পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফণি ভূষণ সিংহ, বিনয় ভূষণ সিংহসহ কাউকেই পাওয়া যায়নি। তবে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি স্বদেশ কুমার রায় সুব্রত বলেন, ফণি ভূষণ সিংহ, দীপক কুমার রায় ও বিনয় ভূষণ সিংহের নেতৃত্বে এসব কর্মকাণ্ড ঘটেছে। বিভিন্ন অভিযোগের কারণে তাদের বিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করা হলে ক্ষিপ্ত হয়ে এসব করছে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান সভাপতি জয়ন্তি রাণী বলেন, ম্যানেজিং কমিটির বিরোধের কারণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে আমাকে এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে কাজ করছে একটি রাজনৈতিক চক্র। আমি তাদের নাম বলতে পারবো না। এতো ঝামেলা থাকলে বিদ্যালয় পরিচালনা করা সম্ভব না। আমি চাই, বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চলুক। এখানে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। আমার সভাপতির পদ দরকার নেই, শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকা দরকার। শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহরিত সালেহীন বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে জানানোর পরে আমি নিজেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। বেতাগী থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর