× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

ভারপ্রাপ্ত হলেন মোমিন / সিলেটে দুঃসময়ে পাশে নেই পাপলু

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
৬ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

 ১৯ বছর পর গঠন করা হয়েছিলো সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি। তার আগে দলীয় কোন্দলসহ নানা কারণে কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। যুবদল নিয়ে সিলেটে হয়েছে নানা নাটকীয়তা। বিতর্ক এড়াতেও কৌশল করেন কেউ কেউ। ফলে কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি সিলেট যুবদলের। কমিটি না থাকায় অনেক নেতা অপেক্ষায় থেকে থেকে বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। কেউ গেছেন বিএনপিতে, আবার কেউ নিষ্ক্রিয়ও হয়ে পড়েন। বিষয়টি অনুধাবনের পর অবশেষে ২০১৯ সালে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গঠন করা হয়েছিলো সিলেট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি।
সিলেট যুবদলের কার্যক্রমে গতি আনতে সম্পূর্ণ নতুন ফরমেটে গঠন করা কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছিলো সাবেক ছাত্রদল নেতা সিদ্দিকুর রহমান পাপলু ও সদস্য সচিব করা হয় মকসুদ আহমদকে। কিন্তু কমিটি গঠনের পর থেকে অনুপস্থিত সিলেট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু। নিজে লন্ডন প্রবাসী। পরিবার-পরিজন থাকেন লন্ডনে। ওখান থেকে যুবদলের আহ্বায়ক হওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে তিনি দেশে এসেছিলেন। পদও পান। কিন্তু কাজ করেননি মোটেও। তাকে নিয়ে খোদ যুবদলেই রয়েছে অসন্তোষ। সিলেট জেলা যুবদলের বেশির ভাগ সদস্য জানিয়েছেন- সিলেট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির বয়স প্রায় ২৫ মাস। এরমধ্যে ১৮ মাসই অনুপস্থিত সিদ্দিকুর রহমান পাপলু। দলীয় কর্মকাণ্ডে নেই তিনি। লন্ডন থেকে মাঝে মধ্যে দেশে আসেন। কিছুদিন থেকে আবার চলে যান। আন্দোলন কিংবা দলীয় কর্মসূচি পালনে পাপলুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় না। সরাসরি তিনি মাঠে না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় সিলেট যুবদল। এ অবস্থায় জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ একাই টানছিলেন কমিটির কার্যক্রম। সিনিয়র সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি কর্মসূচি পালনে একাট্টা রয়েছে। সর্বশেষ গত সপ্তাহে সিলেটের রেজিস্ট্রারি মাঠে সিলেট বিভাগীয় বিএনপি’র কর্মসূচির পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতেও অনুপস্থিত ছিলেন সিদ্দিকুর রহমান পাপলু। তিনি লন্ডনে থাকার কারণে সিলেটের নেতারা কর্মসূচি পালন করেন। ওইদিন রেজিস্ট্রারি ময়দানের সমাবেশে যুবদলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে বক্তৃতা করেন এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন। সিলেট বিএনপি’র সিনিয়র নেতারাই তখন উপস্থিত সময়ে এডভোকেট মোমিনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে নাম ঘোষণা করে তাকে বক্তৃতার সুযোগ দেন। ওই সমাবেশে জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে বক্তৃতা করার কথা ছিল সদস্য সচিব মকসুদ আহমদের। এদিকে- গতকাল যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল আলম নিরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর সিদ্ধান্তক্রমে এডভোকেট মোমিনুর ইসলাম মোমিনকে সিলেট জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান দুলাল এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- জেলা যুবদলের আহ্বায়ক অনুপস্থিত থাকার কারণে এডভোকেট মোমিনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানান তিনি। সিলেট জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ জানিয়েছেন- যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনা তারা পেয়েছেন। দলীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে- যুবদল নেতারা জানিয়েছেন; সিদ্দিকুর রহমান চলতি সময়ে প্রায় তিন মাস ধরে অনুপস্থিত। দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময়ে বিএনপি’র সব বলয়ের নেতারা মান অভিমান ভুলে দলের স্বার্থে এক হয়েছে। সেখানে পাপলুর অনুপস্থিতি দলের নেতাদের বিব্রত করেছে। কারণ- যুবদলের কমিটি ঘোষণার পর অনেকেই বিদ্রোহ করেছিলেন।
তখন সিলেটের নেতারাই বিদ্রোহ দমাতে এগিয়ে এসেছিলেন। তখন পাপলুর ওপরই ভরসা রেখেছিলেন সবাই। কিন্তু আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক হওয়ার পরপর থেকে কয়েকবার লন্ডনে আসা যাওয়া করেন পাপলু। দলীয় কর্মকাণ্ডে তার অনুপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়ার কারণে পাপলুর পরিবর্তে মোমিনকে দেয়া হয়েছে দায়িত্ব।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর