× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

অজুহাতও নেই মুমিনুলের কাছে

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

টানা হারে বাংলাদেশ ক্রিকেট। দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাও গড়ে তুলে ব্যর্থ। টি-টোয়েন্টির পর টেস্ট সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয়চক্রের খাতায় শুধু ব্যর্থতা। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুমিনুল হক সৌরভের দল করেছে অসহায় আত্মসমর্পণ। হেরেছে ৮ রান ও ইনিংস ব্যবধানে। এমন পরাজয়ের ব্যাখ্যা তো দূরের বিষয় কোনো অজুহাতও নেই টাইগার অধিনায়কের কাছে। তিনি বলেন, ’আমার কাছে খুবই হতাশাজনক।
এটা খুব বাজে একটা দিন ছিল। কাল এক সেশনে আমরা ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছি, খুব বাজে ব্যাট করেছি। এখানে অজুহাত দেওয়ার কিছু নেই। প্রথম চার ব্যাটসম্যান ওভাবে আউট হয়েছে। ওখানে ব্যাট করা খুবই কঠিন তারপরও দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিক ভাই, সাকিব ভাই, লিটন ভালো খেলেছে।’
ঢাকা টেস্টের ৫ দিনের বড় একটা অংশই ছিল বৃষ্টির দখলে। প্রথম দুই দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ৬৩.৩ ওভার। সব মিলিয়ে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের সংগ্রহ ৯৮.৩ ওভারে ৩০০ রান ৪ উইকেট হারিয়ে। সেখানে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩২ ওভারে করেছে মাত্র ৮৭ রান সবকটি উইকেট হারিয়ে। ফলোঅন এড়াতে ১০১ রান প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ১৪ রান আগেই গুটিয়ে যায় দল। মাত্র দু’জনই ছুঁতে পেরেছেন দুই অংক। এমন ব্যাটিং নিয়ে মুমিনুল বলেন, প্রথম ইনিংসের কথা যদি বলি আমার ভুল ছিল। আমারটা সিলি মিস্টেক ছিল।  আমার হয়তো তাড়াহুড়ো করে রান নেওয়া উচিত হয়নি। সবাই মারতে গিয়ে আউট হয়নি। যদি দেখেন সবাই বল বুঝে মারছিল হয়তো দুর্ভাগ্যজনকভাবে কানেক্ট হয়নি। মুশফিক ভাই স্কয়ার অব দ্য উইকেটে মারার চেষ্ট করেছিল, কানেক্ট হয়নি। এসব উইকেটে বেশি রক্ষণাত্মক খেললেও কঠিন। আল্টিমেটলি আসলে আমার আউটটা অনেক বাজে ছিল। এসব জায়গায় রান না নেওয়াটা বেটার।’
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীমরা লড়াই করেছেন। কিন্ত তাতেও পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস ছোঁয়া সম্ভব হয়নি। প্রথম চার ব্যাটারই আউট হন ২৫ রানের মধ্যে। মূল ব্যাটারদের ব্যর্থতা ডুবিয়েছে বাংলাদেশ দলকে। অধিনায়ক মুমিনুলও জানিয়েছেন রান করতে না পারলে জয় কেন, ড্র করাও সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘আপনি যে ফরম্যাটই খেলেন না কেন সব সময় রানটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় যদি খালি ডিফেন্সিভ খেলবো ভাবি তাহলে কিন্তু কঠিন। মাঝেমাঝে ভুল বোঝাবুঝি হয়। আর মুশফিক ভাইয়ের আউট যদি দেখেন খুবই দুর্ভাগ্যজনক বলবো।’ টেস্টে খেলতে নেমে ওয়ানডে স্টাইলে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের দায়টাও কম নয়। তবে অধিনায়ক মুমিনুল এই ক্ষেত্রে সতীর্থদের পক্ষই নিয়েছেন। তিনি বলেন, ’আমার কাছে মনে হয় না কোনো রকম আক্রমণাত্মক কেউ খেলেছে। আমি আসলে আপনারদের প্রশ্ন শুনে খুব অবাক হয়ে গেছি। কেউ এগ্রেসিভ খেলেনি। মেরিট অব দ্য বল, ওরা ৩০০ করেছে আপনি যদি খালি ডিফেন্সই করেন তাহলে আপনি যদি দেখেন যারা শট খেলে আউট হয়েছে তারা ক্যালকুলেটিভ রিস্ক নিয়ে আউট হয়েছে। হয়তো আপনার কাছে লাগছে কারণ ওই সময় আউট হয়ে গিয়েছে। স্কোর শট যেগুলো সেগুলোতে রান না করলে তো আপনি রান করতেই পারবেন না।’
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর