× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার , ১৮ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রফেসর ইউনূসের ঝুলিতে নোবেলসহ ১৪৫ পুরস্কার

অনলাইন

মানবজমিন ডিজিটাল
(৯ মাস আগে) ডিসেম্বর ১৫, ২০২১, বুধবার, ৩:৫৩ অপরাহ্ন

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঝুলিতে নোবেল প্রাইজসহ ১৪৫টি পুরস্কার রয়েছে। সর্বশেষ জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের ‘চ্যাম্পিয়ন অব গ্লোবাল চেঞ্জ’ পুরস্কার পেলেন তিনি। গত ৯ই ডিসেম্বর নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘উই দ্য পিপলস’ অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ইউনূস সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৮ সাল থেকে অদ্যবধি ড. ইউনূস প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন। পুরস্কারগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ১৯৮৪ সালে ফিলিপাইনের র‍্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড, ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড,  ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার, ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড, শ্রীলংকার মোহাম্মদ শাহাবদীন অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্স, বাংলাদেশের রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ. খান মেমোরিয়াল গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ, ফেফার পিস প্রাইজ, বাংলাদেশের ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম মেমোরিয়াল গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড, মালয়েশিয়ার তুন আবদুল রাজাক অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৫ সালে সুইজারল্যান্ডের ম্যাক্স মিডেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম প্রাইজ, বাংলাদেশের আরসিএমডি অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৬ সালে ভেনিজুয়েলা ও ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল সিমন বলিভার প্রাইজ, যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড অ্যালামনাস অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্টিভিস্ট অ্যাওয়ার্ড, জার্মানির প্ল্যানেটরি কনশাসনেস বিজনেস ইনোভেশন প্রাইজ, নরওয়ের হেল্প ফর সেলফ হেল্প প্রাইজ, ইটালির ম্যান ফর পিস অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ফোরাম অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৮ সালে বৃটেনের ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড, স্পেনের দ্য প্রিন্সেস অব অস্টারিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি পিস প্রাইজ, জাপানের ওজাকি (গাকুদো) অ্যাওয়ার্ড, ভারতের ইন্দিরা গান্ধী প্রাইজ, ফ্রান্সের জাস্টি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের রোটারি অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্টান্ডিং, ইটালির গোল্ডেন পেগাসাস অ্যাওয়ার্ড, ইটালির রোমা অ্যাওয়ার্ড ফর ডিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশন,  ভারতের রথীন্দ্র পুরস্কার,  ২০০০ সালে সুইজারল্যান্ডের ওমেগা অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স ফর লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট, ইটালির অ্যাওয়ার্ড অব দ্য মেডেল অব দ্য প্রেসিডেন্সি অব দ্য ইটালিয়ান সিনেট, জর্ডানের কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশের আইডিইবি গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড, ২০০১ সালে ইটালির আর্টুসি প্রাইজ, জাপানের গ্র্যান্ড প্রাইজ অব দ্য ফুকুওকা এশিয়ান কালচার প্রাইজ, ভিয়েতনামের হো চি মিন অ্যাওয়ার্ড, স্পেনের ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন প্রাইজ কাজা ডি গ্রানাডা, স্পেনের নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড অ্যাওয়ার্ড, ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড, ২০০৩ সালে বৃটেনের ওয়ার্ল্ড টেকনোলজি নেটওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ড, সুইডেনের ভলভো এনভায়রনমেন্ট প্রাইজ, কলোম্বিয়ার ন্যাশনাল মেরিট অর্ডার অ্যাওয়ার্ড, ফ্রান্সের দ্য মেডেল অব দ্য পেইন্টার অসওয়াল্ডো গুয়াসামিন অ্যাওয়ার্ড, ২০০৪ সালে স্পেনের টেলেসিনকো অ্যাওয়ার্ড, ইটালির সিটি অব অরভিয়েটো অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইকনোমিস্ট ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল অ্যাওয়ার্ড, লিডারশিপ ইন সোশ্যাল অন্টারপ্রিনিউয়ারশিপ অ্যাওয়ার্ড, ইটালির প্রিমিও গ্যালিলিও ২০০০-স্পেশাল প্রাইজ ফর পিস, জাপানের নিক্কি এশিয়া প্রাইজ, ২০০৫ সালে স্পেনের গোল্ডেন ক্রস অব দ্য সিভিল অর্ডার অব দ্য সোশ্যাল সলিডারিটি, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশের কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, ইটালির প্রাইজ টু পন্ট, স্পেনের ফাউন্ডেশন অব জাস্টিস, ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির নিউসটাড অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল সিটিজেন অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, নেদারল্যান্ডের ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড, সুইজারল্যান্ডের আইটিইউ ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড, কোরিয়ার সিউল পিস প্রাইজ, স্পেনের কনভিভেনসিয়া অব সিউটা অ্যাওয়ার্ড, নরওয়ের নোবেল পিস প্রাইজ, ভারতের ডিজাস্টার মিটিগেশন অ্যাওয়ার্ড, শেরে বাঙ্গালি, ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল ট্রেইব্লেজার অ্যাওয়ার্ড, এবিআইসিসি অ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশিপ ইন গ্লোবাল ট্রেড, সোশ্যাল অন্টারপ্রিনিউয়ার লিডার অ্যাওয়ার্ড, স্পেনের রেড ক্রস গোল্ড মেডেল, ভারতের রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বার্থ সেন্টেনারি প্ল্যাক, নেদারল্যান্ডের ইএফআর বিজনেস উইক অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের নিকোলাস চ্যান্সেলর মেডেল, জার্মানির ভিশন অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের বিএএফআই গ্লোবাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, রুবিন মিউজিয়াম মান্দালা অ্যাওয়ার্ড, ভারতের সকাল পারসন অব দ্যা ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, ফিলিপাইনের ফার্স্ট এএইচপিএডিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড, ব্রাজিলের মেডেল অব অনার, ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রজেক্ট কনসার্ন অ্যাওয়ার্ড, নিউ ইয়র্কের ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স হেলথ কোয়ালিশন অ্যাওয়ার্ড, জাপানের কিটা কুয়ুশু এনভায়রনমেন্টাল অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের চ্যান্সেলর মেডেল, প্রেসিডেন্টস মেডেল, হিউম্যান সিকিউরিটি অ্যাওয়ার্ড, অস্ট্রিয়ার অ্যানুয়াল অ্যাওয়ার্ড ফর ডেভেলপমেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড, স্পেনের ফ্রেন্ড অব চিলড্রেন অ্যাওয়ার্ড, জার্মানির এজিআই ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড, জার্মানির কোরিন ইন্টারন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড, জার্মানির টু উইংস প্রাইজ, যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ডস, ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল অ্যাওয়ার্ডস, যুক্তরাষ্ট্রের ফুল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড, ২০০৯ সালে পর্তুগালের এস্ট্রইল গ্লোবাল ইস্যুজ ডিস্টিংগুইশড বুক প্রাইজ, যুক্তরাষ্ট্রের এইশেনহাওয়ার মেডেল ফর লিডারশিপ অ্যান্ড সার্ভিসেস, স্লোভেকিয়ার গোল্ডেন বায়াটেক অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ডেন মেডেল অব অনার অ্যাওয়ার্ড, পিআইসিএমইটি লিডারশিপ ইন টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট, প্রেসিডেন্সিয়াল  মেডেল অব ফ্রিডম, স্পেনের দ্য সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, জার্মানির দ্য বৈরুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাইজ ফর ইথিক্যাল বিজনেস অ্যাওয়ার্ড, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেলিয়ন অ্যাওয়ার্ড, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অ্যাওয়ার্ড, স্পেনের সোল্যার ওয়ার্ল্ড আইনস্টাইন অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অ্যাওয়ার্ড, কনগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল, পেরুর অর্ডার অব দ্য সান ইন দ্য গ্রেড অব গ্রান্ড ক্রস, চীনের গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড দ্য থার্ড চায়না পোভার্টি ইরাডিকেশন অ্যাওয়ার্ডস, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট ভিনসেন্ট ডি পল অ্যাওয়ার্ড, এলন মেডেল ফর অন্টারপ্রিনিউরিয়াল লিডারশিপ, কানাডার ইক্যুইটাস অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের জিন মায়ার গ্লোবাল সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড, আউটস্টান্ডিং অন্টারপ্রিনিউয়ার অব আওয়ার টাইম এন্ড দ্য বেস্ট হিউম্যানিটারিয়ান অব দ্য ইয়ার বাই ওএফসি ভেনচার চ্যালেঞ্জ, ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রান্সফরমেশনাল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড, ২০১৩ সালে স্যালুট টু গ্রেটনেস অ্যাওয়ার্ড, আলবার্ট সুইটজার হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড, বৃটেনের স্কল গ্লোবাল ট্রেজার অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্রের দ্য কনগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড, ফোর্বস ফোর হান্ড্রেড লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ফর সোশ্যাল অন্টারপ্রিনিউয়ারশিপ, এশিয়ান আমেরিকান/এশিয়ান রিসার্চ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, রবার্ট এফ কেনেডি রিপল অব দ্য হোপ অ্যাওয়ার্ড, ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টমন্ট লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, লোটাস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, সৌদি আরবের প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ গ্লোবাল অন্টারপ্রিনিউয়ারশিপ অ্যাওয়ার্ড, আলবেনিয়ার আলবেনিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ সালে পাকিস্তানের ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড, চীনের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসরশিপ ফ্রম ওয়াইএনইউ, ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উইমেন ডেলিভার অ্যাওয়ার্ড, জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্ট’স মেডেল, ২০১৭ সালে ভারতের গোল্ড মেডেল, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ফোর্ড ফ্যামিলি নটরডেম অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সলিডারিটি, ভারতের কেআইএসএস হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড, ইটালির নুভো রিনাসিমেন্টো অর নিউ রেনেসান্স অ্যাওয়ার্ড, ২০১৯ সালে সুইজারল্যান্ডের গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, ২০২০ সালে ভারতের ফিফথ ড. এপিজে আবদুল কালাম মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ দ্য পিস প্রাইজ ফ্রম স্লোভেকিয়া, ভারতের ড. থমাস ক্যাঙ্গন ম্যানেজমেন্ট লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, ২০২১ সালে জার্মানির অপিনিয়ন মেকার অ্যাওয়ার্ড- দিয়ে ব্লেউ জাংগে’২০২১, সুইজারল্যান্ডের অলিম্পিক লরেল, জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের চ্যাম্পিয়ন অব গ্লোবাল চেঞ্জ।

উল্লেখ্য, ইউনূস সেন্টার হলো প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত একটি গবেষণা, পরামর্শ ও সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি সকল সামাজিক ব্যবসায়ের সাথে সম্পর্কিত সকল কার্যক্রমের ওয়ান-স্টপ রিসোর্স সেন্টার। সামাজিক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত অথবা সামাজিক ব্যবসায়ে আসতে চায় এমন যে কেউ ইউনূস সেন্টার থেকে সহযোগিতা নিতে পারে। ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক এবং প্রফেসর ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলে সে বছরই তিনি গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে নিজের জন্য ‘ইউনূস সেক্রেটারিয়েট’ নামে একটি অফিস প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করে ‘ইউনূস সেন্টার’ করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক ব্যবসায় বা সোশ্যাল বিজনেস ধারণার জন্ম দিয়েছে, সে ধারণা এবং দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ড. ইউনূসের মতাদর্শের প্রচারণাও করে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Ishaque Chowdhur
১৫ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৭:১৮

He is pride of our Nation and Country as well.

zahed
১৫ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৬:৪৫

we are proud of him ........

রাহমান মনি
১৫ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৬:২৩

ধন্য ধন্য প্রিয় স্বদেশ, ইউনুস মানেই বাংলাদেশ

Shah
১৫ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৪:৩৬

বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র আমাদের অহংকার ড. মু. ইউনুস।

অন্যান্য খবর