× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার , ১২ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

করোনা জয় করে ফিরেই সেঞ্চুরি হেডের

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
১৪ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় খেলতে পারেননি সিডনি টেস্টে। তবে হোবার্টে গোলাপি বলের লড়াইয়ে ফিরেই ট্রাভিস হেড মেলে ধরলেন নিজেকে। বিপর্যয়ের মুখে তুলে নিলেন সেঞ্চুরি। হেডের ১০১ রানের ইনিংসে ভর করে বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২৪১/৬। চলতি অ্যাশেজে এটি হেডের দ্বিতীয় শতক। এর আগে ব্রিসবেনে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৫২ রান করেছিলেন বাঁহাতি এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।
অ্যাশেজে ৩-০তে এগিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ টেস্টে নাটকীয় ড্রয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ানো ইংল্যান্ড হোবার্টে দিবারাত্রির ম্যাচে টস জিতে বেছে নেয় ফিল্ডিং।
পরিকল্পনা সফলও হয় ইংল্যান্ডের। দলীয় ৭ রানেই দুই ওপেনারকে ফেরায় তারা। ডেভিড ওয়ার্নারকে (০) সাজঘর দেখান অলি রবিনসন। আগের টেস্টে জোড়া শতক হাঁকানো উসমান খাজাকে (৬) তুলে নেন স্টুয়ার্ট ব্রড। দলীয় ১২ রানে স্টিভেন স্মিথের বিদায়ে আরো চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তার উইকেটটি গেছে রবিনসনের ঝুলিতে। সেখান থেকেই শুরু হেডের লড়াই।
চতুর্থ উইকেটে মারনাস লাবুশেনের সঙ্গে জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামলান হেড। দু’জনই খেলছিলেন ওয়ানডে স্টাইলে। মাত্র ৭৪ বলে স্কোরবোর্ডে যোগ করে ফেলেন ৭১ রান। দলীয় ৮৩ রানে লাবুশেন আউট হয়ে গেলে ফের শঙ্কার মেঘ জমে অজি শিবিরে। ৫৩ বলে ৪৪ রান করে ব্রডের দ্বিতীয় শিকার হন লাবুশেন। তবে পঞ্চম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে হেডে ১৬০ বলে ১২১ রানের জুটি ম্যাচে ফেরায় অজিদের।
২৩ টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থ শতক পূর্ণ করে দলীয় ২০৪ রানে থামেন হেড। ১১৩ বলে ১০১ রানের ইনিংসটি তিনি সাজান ১২ বাউন্ডারিতে। তার উইকেটটি নেন ক্রিস ওকস। এরপর দলীয় ২৩৬ রানে মার্ক উডের বলে জ্যাক ক্রলির হাতে ধরা পড়েন গ্রিন। ১০৯ বলে ৮ চারে গ্রিনের সংগ্রহ ৭৪ রান। ৬০তম ওভারের তৃতীয় বল খেলার পর বৃষ্টি হানা দেয় হোবার্টে। শেষ পর্যন্ত আর মাঠে নামতে পারেনি দু’দল। দিন শেষে অ্যালেক্স ক্যারি ১০ এবং মিচেল স্টার্ক ০ রানে অপরাজিত থাকেন।
সিরিজের শেষ টেস্টে একাদশে ৫টি পরিবর্তন এনেছে ইংল্যান্ড। অভিষেক হয়েছে স্যাম বিলিংসের। ওপেনার হাসিব হামিদের এসেছেন ররি বার্নস । ওলি পোপ স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন চোটাক্রান্ত জনি বেয়ারস্টোর। আরেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার জস বাটলারও ইনজুরিতে রয়েছেন, তার শূন্যতা পূরণে নেয়া হয়েছে বিলিংসকে। পেসার জেমস অ্যান্ডারসকে বসিয়ে ক্রিস ওকস এবং স্পিনার জ্যাক লিচের জায়গায় এসেছেন অলি রবিনসন। তবে চোট শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত একাদশে জায়গা ধরে রেখেছেন অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার মার্কাস হ্যারিস বাদ পড়েছেন। ট্রাভিস হেড ফেরায় তাকে যথারীতি পাঁচ নম্বরে রেখে খাজাকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে ওপেনিংয়ে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: ইংল্যান্ড, ফিল্ডিং
অস্ট্রেলিয়া: ১ম ইনিংস ২৪১/৬ (খাজা ৬, লাবুশেন ৪৪, স্মিথ ০, হেড ১০১, গ্রিন ৭৪, ক্যারি ১০*, স্টার্ক ০*; ব্রড ২/৪৮, রবিনসন ২/২৪, উড ১/৭৯, ওকস ১/৫০)
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর