× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২০ মে ২০২২, শুক্রবার , ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৮ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

‘ডাবল কীর্তি’ সেন্ট্রাল জোনের

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
১৬ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার

ঘরোয়া মৌসুমে ‘ডাবল শিরোপা’ পূর্ণ হলো ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের। ঘরোয়া ওয়ানডে আসর ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপেও শিরোপা উৎসব করলো দলটি। গতকাল ফাইনালে বিসিবি সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারায় তারা। এদিন মূল কাজ করে দেন সেন্ট্রাল জোনের বোলাররাই। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাউথ জোনকে মাত্র ১৬৩ রানে আটকে দেয় সেন্ট্রাল জোন। পরে সেন্ট্রাল জোন ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ৪৫ বল হাতে রেখেই।
ঘরোয়া ক্রিকেটে এবারের মৌসুমে শিরোপার ‘ডাবল’ পূর্ণ করলো সেন্ট্রাল জোন। ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপের আগে প্রথম শেণির আসর বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগেও (বিসিএল) চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।
সিলেটে ফাইনালে ১৬৪ রানের টার্গেটে দুই ওপেনার মিজানুর রহমান আর সৌম্য সরকার ভালো সূচনা এনে দেন সেন্টাল জোনকে।
উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৬৫ রান। সৌম্য ২৫ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২১ করে নাসুম আহমেদের শিকার হয়ে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। পরের ওভারে আবদুল মজিদের উইকেট (১) তুলে নেন মেহেদি হাসান। এরপর মোহাম্মদ মিঠুন (৪) আর মিজানুরও (৫৩ বলে ৫ চার, ২ ছক্কায় ৩৯) অল্প সময়ের ব্যবধানে সাজঘরের পথ ধরলে ১৫ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সেন্ট্রাল জোন। সেখান থেকে আল আমিন হোসেন আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দারুণ জুটিতে সহজেই দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। ৩৩ রানের হার না মানা ইনিংস খেলতে মোসাদ্দেক খরচ করেন ৮৫ বল। অন্যদিকে ৬৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন আল আমিন।
এর আগে বিসিবি সাউথ জোন অলআউট হয় মাত্র ১৬৩ রানে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কুয়াশাভেজা কন্ডিশনে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক। বোলিংয়ে নেমে শুরুটা তেমন ভালো না হলেও ক্রমেই সাউথ জোনকে চেপে ধরে সেন্ট্রালের বোলাররা।
উদ্বোধনী জুটিতে ১১.৫ ওভারে ৫১ রান তুলে বড় পুঁজির সম্ভাবনা জাগান সাউথের দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও পিনাক ঘোষ। তবে নাজমুল ইসলাম অপুর বলে এনামুল বিজয় লেগ বিফোরের ফাঁদে ধরা পড়লে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। বিজয় ৩৪ বলে করেন ২০ রান। এরপর আর তেমন কোনো বড় জুটির দেখা মেলেনি সাউথের ইনিংসে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ রান আসে পিনাকের ব্যাট থেকে। দলীয় ৬৪ রানের মাথায় সৌম্য সরকারের বলে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
ফাইনালের আগে লীগ পর্বের ম্যাচে সেন্ট্রালের বিপক্ষে সাউথের জয়ে ম্যাচসেরা ছিলেন তৌহিদ হৃদয়। কাল তাকে রানের খাতাই খুলতে দেননি নাজমুল অপু। পরে নাহিদুল ইসলাম ৩১, অমিত হাসান ২৯ ও জাকির হাসান ১৪ রান করতে সক্ষম হন। সেন্ট্রালের পক্ষে বল হাতে দুইটি করে উইকেট নেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সৌম্য সরকার, হাসান মুরাদ, নাজমুল ইসলাম অপু ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুণ।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর