× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৫ মে ২০২২, বুধবার , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

আরব আমিরাতে হুতির ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত ৩

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(৪ মাস আগে) জানুয়ারি ১৭, ২০২২, সোমবার, ৫:৫২ অপরাহ্ন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৬ জন। মূলত তিনটি তেলের ট্যাংকার বিস্ফোরণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে ড্রোনের মাধ্যমে তারা এই হামলাটি পরিচালনা করেছে। এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।
আবু ধাবির পুলিশ জানিয়েছে, মুসাফাহ শিল্প এলাকার কাছে তিনটি তেলের ট্যাংকার টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়। সেখানে তেল উত্তোলনের কাজ চলছিল। এছাড়া একই সময় আবু ধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মোট ৩ জন নিহত হন।
তাদের মধ্যে দু’জন ভারতীয় ও একজন পাকিস্তানি। তবে আহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আহতদের সবাই ঝুঁকির বাইরে রয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ড্রোন দিয়ে হামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ছোট প্লেনের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে, যা ড্রোনই ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমেই ট্যাংকারের কাছে বিস্ফোরণ সৃষ্টি করা হয়। এ নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত ও অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

এদিকে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতির সামরিক মুখপাত্র এ হামলার দায় স্বীকার করে একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে তিনি বলেন, আরব আমিরাতের অনেক ভেতরে অভিযান চালিয়েছে তারা। তবে অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি। ইয়েমেনে অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ করে আসছে আরব জোট। সৌদি আরবের নেতৃত্বে থাকা এ জোটের অন্যতম প্রধান সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাত। হুতিরা প্রায়ই সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা চালিয়ে থাকে। এছাড়া, দেশগুলোর বিমানবন্দর, তেলের পাইপলাইন এবং সামরিক নৌযান লক্ষ্য করেও মিসাইল হামলা চালিয়ে থাকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Shobuj Chowdhury
১৭ জানুয়ারি ২০২২, সোমবার, ৬:৪৮

The war in Yemen needs to be stopped. It is making life difficult for everybody especially women and children.

অন্যান্য খবর