× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২২ মে ২০২২, রবিবার , ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

৯০ বছর বয়সে বিয়ে করলেন আইনজীবী ঈসমাইল

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে
(৪ মাস আগে) জানুয়ারি ১৮, ২০২২, মঙ্গলবার, ৩:০০ অপরাহ্ন

৯০ বছর বয়সে ৪০ বছরের নারীকে বিয়ে করলেন প্রবীণ আইনজীবী কুমিল্লা বার-এর পাঁচবারের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ঈসমাইল। সোমবার বিকালে বিয়ে করে তিনি স্ত্রী নিয়ে নিজের বাসায় ওঠেন। বিয়েতে ওই আইনজীবীর পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা নগরীর উজীর দীঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট খালেদা আক্তার মিতু বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁর বাসায়ই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।

কুমিল্লার এই প্রবীণ সুপরিচিত আইনজীবীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে নগরীজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়। বিয়ের পিঁড়িতে বসে অ্যাডভোকেট ঈসমাইল হোসেন বলেন, শেষ বয়সে নিজের সেবার জন্য আমি বিবাহ করেছি। কিন্তু এবার এ বিয়েতে বেশ আনন্দ পাচ্ছি। সহকর্মীদের পরামর্শ নিয়ে আমি মিনারাকে বিবাহ করি।
আমার বংশধররাও যাতে আমরা মতো দীর্ঘজীবী হয় এ জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
অ্যাডভোকেট খালেদা আক্তার মিতু বলেন, স্যার তাঁর নিজের প্রয়োজনেই বিয়ে করেছেন। বিয়েতে উনার পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিরা উপস্থিতছিলেন।


জানা গেছে, নতুন মাকে তাঁরা পা ছুঁয়ে সালাম করে বরণ করে নেন। এসময় তারা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান।
বিয়েতে ৫ লাখ টাকার কাবিন হয়। এর মধ্যে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা উসুল দেন। কন্যার গয়নাসহ আনুসাঙ্গিক সবকিছুই দেওয়া হয়। সোনালি পাঁড়ের মধ্যে সোনালি আঁচলের দামী শাড়িও দেওয়া হয়। এ শাড়ি পরেই কনে স্বামীর বাড়ি নগরীর কাপ্তান বাজারে যান।
কনের নাম মিনু আরা। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায়। কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

প্রবীন এই আইনজীবীর বিয়ের খবরে তাঁর সহকর্মী ও অনুজরা গতকাল সন্ধ্যা থেকেই মিষ্টি নিয়ে বাসায় ভিড় জমান। আইনজীবীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দও ফুল ও মিষ্টি নিয়ে অ্যাডভোকেট মো. ঈসমাইলের বাসায় যান নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানাতে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
rahman
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ৪:৪৮

I think good ,

মো: ইসমাইল হোসেন
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ১:২৪

সর্বপ্রথম আমরা তাদের জন্য দোয়া করি আল্লাহ দাদার পারিবারিক বন্ধন মজবুত করুন আমিন। একে অন্যের সুখ-দুঃখকে ভাগাভাগি করে নিতে পারে। এই বয়েসে এটা খুবই প্রয়োজন দাদারে। আমরা তাদের র্দীঘায়ু কামনা করি।

মোতাহার
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:৫৯

Good decission. Congratulation.

Kazi
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৫:৪১

Too much difference of age. Mismatch.

Khairul Islam
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৫:০৬

আমার কিন্তু হিংসা হচ্ছে দাদু।

শওকত আলী
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৫:৩৯

এই বয়সে বিয়েটা তাঁর খুবই প্রয়োজন। স্ত্রী না থাকলে বৃদ্ধাবস্থায় ছেলেমেয়েরা বা ছেলেদের বউ কেউ উনাকে দেখাশুনা করবে না। তাই বিয়ে করাটাই বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। এই বিয়েতে আমি খুবই খুশী। আমার মতে স্বামীর আগে স্ত্রী মারা গেলে সবাইকে বিয়ে করার জন্য সমর্থন দিতে হবে। প্রয়োজনে ছেলেমেয়েরা উদ্যোগ নিয়ে বিয়ের কাজটা সম্পাদন করে দিলে অনেক সওয়াবের ভাগীদার হবে।

rahman
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৫:১১

i need also

ফজলু
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৪:১৪

আমরা এই দম্পতির জন্য দোয়া করি, উনাদের পারিবারিক বন্ধন মজবুত হোক। বার্ধক্যে মানুষের সব চেয়ে বেশী আস্থাশীল মানুষ দরকার, যারা একে অন্যের সুখ-দুঃখকে ভাগাভাগি করে নিতে পারে। একান্তই আপনজনরা ছাড়া অর্থ-কড়ি কোন কাজে আসে না।

Md. zakiul islam
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৩:৩০

শুনালে আশার বানী নিরাশার বুকে ।

অন্যান্য খবর