× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২২ মে ২০২২, রবিবার , ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(৪ মাস আগে) জানুয়ারি ১৯, ২০২২, বুধবার, ৮:০৯ অপরাহ্ন

সম্প্রতি গ্যাসের দাম বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে প্রস্তাব জমা দেয়া শুরু করেছে গ্যাস সঞ্চালন, উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানিগুলো। কিন্তু দাম বাড়ানোর এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন দেশের শিল্পোদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, গ্যাসের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচও বাড়বে, যা শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। মহামারিকালে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো ব্যাহত হবে। বুধবার এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পাওয়ার, এনার্জি, ইউটিলিস-বিষয়ক এফবিসিসিআইয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু জানান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে চীন ও ভারত আরও ২০ বছর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখবে। বাংলাদেশেও শিল্পের বিকাশের স্বার্থে দেশে মজুত থাকা কয়লার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া উচিত সরকারের। তিনি গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, বাপেক্স একা না পারলে বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বে অনুসন্ধান কূপ খননে গতি আনা উচিত।
স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর-ইন-চার্জ ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আবুল কাশেম খান বলেন, দেশে জ্বালানি খাতে আমদানি-নির্ভরতা বাড়ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ নয়। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও শিল্পায়ন অব্যাহত রাখতে দেশীয় সম্পদকে কাজে লাগানো জরুরি। কয়লা উত্তোলন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পক্ষে মত দেন তিনি।
এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. নাসের বলেন, বিতরণ ব্যবস্থায় চরম অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুফল বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের ব্যবসায়ীরা।
এ খাতে শৃঙ্খলা আনতে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনার ভার বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সাংবাদিক মোল্লা এম আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য সরকারের অন্তত আরও ১০০ কূপ খনন করা উচিত। এছাড়া অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত বাইরের কারখানাগুলোকে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দেন জ্বালানি বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’র এই সম্পাদক।
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ওয়ান-স্টপ সলিউশন, চরের অনাবাদি জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপন, সরকারিভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া, বর্জ্য ও চালের কুড়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প হাতে নেওয়ার দাবি জানান কমিটির সদস্যরা।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের এমডি ও সিইও হুমায়ুন রশিদ। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দেশি-বিদেশি উৎসের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা না গেলে দেশের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা বিঘিœত হবে।
বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- কমিটির কো-চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দীন ইউসুফ, মোহাম্মদ আলী দ্বীন, নাজমুল হক ও এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজল হক।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Rubel Chowdhury
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ৮:৫৭

@আবুল কাসেম সাহেব এর মতামতের সাথে সহমত পোষণ করছি যা যথাযত উক্তি বর্তমান সরকারের একতরফা আচরণে ও প্রেক্ষাপটে । দেশের প্রতিটি গণ মানুষের চাওয়া এবং অধিকার। এই সরকার চতুরতা করে তার সর্বস্তরের কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও অন্যান্য ফ্যাসিলিটি দিয়েছেন। দুঃখ জনক পরিস্থিতি।

শহীদ
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ৯:৩৫

আগে দোষ পড়তো ব্যবসায়ীদের উপর। বাস্তবে গত ১৪টি বছর ”উন্নয়ন” শ্লোগান দিয়ে কারা মানুষকে ফতুর করছে তা জনগণ জানে।

আবুল কাসেম
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ৮:২৫

'পড়েছ বাঘের হাতে খানা খেতে হবে তার সাথে'। মূলত বাঘের সঙ্গেই আমাদের বসবাস। রক্ত, কলিজা, মাংস, হাড্ডি, মুন্ডু সব খায় - সব। সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আমাদের তো আয় রোজগার বাড়েনি। দেশটা তো শুধু সরকার আর সরকারের কর্মচারীদের নয়। আমরা সাধারণ মানুষের হার তাদের চেয়ে অনেক বেশি। গুটিকয়েকের পকেট ভারি হচ্ছে বিভিন্ন উপায়ে। আমরা দিনে দিনে নিঃস্ব হতে চলছি। করোনা মহামারি আমাদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও বিভিন্ন ট্যাক্স ভ্যাটের পরিমাণ গত দশক ধরে এতোটাই বাড়ানো হয়েছে যা সত্যিই অমানবিক বললে অত্যুক্তি হবেনা। এখন যদি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয় তাহলে বেকার মানুষের তালিকা করা হোক এবং প্রতিমাসে বেকার ভাতা দেওয়া হোক কমপক্ষে ত্রিশ হাজার টাকা করে। সরকারি বেসরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফিস এবং শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিং-এ কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নেওয়া বন্ধ করা হোক। ঢাকা শহর থেকে গ্রামের সরকারি বেসরকারি সকল হাসপাতালে বিনা টাকায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। বেকারদের জন্য ভাতার পাশাপাশি রেশনের ব্যবস্থা করা হোক। হে আল্লাহ দৈত্য দানব থেকে আমাদের রক্ষা করুন।

অন্যান্য খবর