× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৫ মে ২০২২, বুধবার , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

বাম চোখটা নষ্ট হয়ে গেছে অর্থের অভাবে ডান চোখটাও হারাতে বসেছে শিশু নীলা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ থেকে
২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার

বাম চোখটা নষ্ট হয়ে গেছে, অর্থের অভাবে ডান চোখটাও হারাতে বসেছে শিশু নীলা। ডান চোখটি বাঁচাতে দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। সেজন্য লাগবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু মেয়ের বাবা রিকশা চালিয়ে আমাদের ৬ সদস্যের সংসার চালাতেই কষ্ট হয়। সেখানে মেয়ের অস্ত্রোপচারের এত টাকা কোথায় পাবো এই প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। এক বছর আগের কথা। মেয়ের চোখ লাল হয়ে জ্বালা যন্ত্রণা, বিষবেদনা ছিল। তাই স্থানীয়ভাবে ওষুধের দোকান থেকে ড্রপ কিনে তা ব্যবহার করি।
তাতে সেরে না ওঠায় করিবাজের শরণাপন্ন হয়। এটুকু বলেই ফুঁপিয়ে কান্না শুরু করেন অসহায় মা খুকি আক্তার। নিজেকে সামলে তিনি বলেন, আমার মেয়ের বাম চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ডান চোখটিও নষ্ট হওয়ার পথে। ডান চোখটি বাঁচাতে দ্রুত অস্ত্রোপচার করতে হবে। সেজন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাগবে। কিন্তু মেয়ের বাবা রিকশা চালিয়ে আমাদের ৬ সদস্যের সংসার চালাতেই কষ্ট হয়। সেখানে মেয়ের অস্ত্রোপচারের এত টাকা কোথায় পাবো। কবিরাজী ওষুধ চোখে লাগানোর পরেই বাম চোখটি নষ্ট হয়ে যায়। মেয়েটা বারবার জানতে চায়, তার চোখটাকি ভালো হবে না। তখন বুক ফেটে কান্না আসে। অথচ মেয়েটাকে বলতে পারছি না টাকার অভাবে তার চিকিৎসা বন্ধ। মেয়ের চিকিৎসায় বাবা রিকশা চালক সূরুজ মিয়া ও মা খুকি আক্তার সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, আমার মেয়ের সারাটা জীবন সামনে পড়ে রয়েছে। চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া শিশুটির নাম নীলা। সে ভারইল গণ্ডগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ও গণ্ডগ্রাম গ্রামের দরিদ্র রিকশা চালক সূরুজ মিয়ার মেয়ে। সোমবার গফরগাঁও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা এমরান আকন্দ ও মোস্তাফিজুর রহমান বাচ্চু শিশু শিক্ষার্থী নীলাকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন তারা নীলার চিকিৎসায় সম্মিলিত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান নীলার মা খুকি আক্তার।
গফরগাঁও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সালমা আক্তার বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে মেয়েটিকে নিয়ে আসতে বলবো। পাশাপাশি মেয়েটির চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করার পাশাপশি উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের জানিয়ে দেয়া হবে যার যার সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর