× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৫ মে ২০২২, বুধবার , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

লক্ষ্মীপুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মেলা

বাংলারজমিন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার

করোনার বিধিনিষেধ অমান্য করে লক্ষ্মীপুরে চলছে সপ্তাহব্যাপী মেলা। এছাড়া ৩টি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান ও একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে মেলা বসায় বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর আগেও এ মেলাকে কেন্দ্র করে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। অপর দিকে উপজেলা প্রশাসন বলছে, অনুমতি না নিয়ে মেলার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেলা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেও তা কাজে আসছে না। প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে মেলার কার্যক্রম চলছে।
গত কয়েকদিন থেকে মেলাকে কেন্দ্র করে চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মেলাকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ চাকার চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। নতুন করে করোনার ধরন ওমিক্রনে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
কিন্তু সরকারিভাবে মেলা বসানো নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছেনা। এদিকে অভিভাবক হুমায়ুন কবির, আক্তার হোসেন ও স্থানীয় বাসিন্দা মিলন এবং রফিক উল্যাহসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, অবৈধভাবে বসানো মেলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার বিকালে মেলা প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে মেলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেন তিনি। এ সময় মেলার আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবায়দুর রহমান হিরণসহ দুইজনকে আটক করে। পরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেলা বন্ধ করা হবে বলে মুচলেকা নিয়ে তাদের দুইজনকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু এরপর বন্ধ হয়নি মেলার কার্যক্রম। মেলাকে কেন্দ্র করে দুই বছর আগে একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত হয়েছে ৭ জন। এছাড়া মেলায় নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী কিশোররা। দ্রুত মেলা বন্ধ করার দাবি জানান স্থানীয়রা।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেছেন, অনুমতি না নিয়ে মেলার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। দ্রত মেলা বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মেলা বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মেলার কার্যক্রম চালানো হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মেলা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা: জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবদুল গফ্‌ফার জানান, করোনার প্রকোপ বাড়ছে। এ সময় মেলাসহ সামাজিক, রানজীতিক ও ধর্মীয় সকল অনুষ্ঠান বন্ধ। এরপরও কীভাবে মেলা চলছে সেটাই এখন প্রশ্ন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর