× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৫ মে ২০২২, বুধবার , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

বাংলারজমিন

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সড়াতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই ভবনে দু’টি শ্রেণি কক্ষ রয়েছে। এই জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষে ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বর্ষাকালে ঘরের টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে প্রতিদিন। এ অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদেরকে এই ভবনে বসে ক্লাস করতে হচ্ছে। বর্তমানে স্কুলটিতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহাদৎ হোসেন মল্লিক জানান, অতি প্রাচীন এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতার পর স্থানীয়ভাবে বিদ্যানুরাগী ব্যক্তিদের সহযোগিতায় একটি টিনশেড ভবন নির্মাণ করা হয়।
এই ভবনেই কম ছাত্র নিয়ে ক্লাস পরিচালনা করা হতো। ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে এখনে একটি দুই কক্ষের একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনে এখন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস নেয়া হয়। ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পুরনো ধ্বংসপ্রায় টিনশেড ভবনে নিরুপায় হয়ে অন্যান্য ক্লাস নিতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ভবনটি সংস্কারের অভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মরিচা পরে ভবনের টিনের চাল অনেক জায়গায় নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বর্ষা বৃষ্টির দিনে এই ভাঙা চাল দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। পুরনো দেয়ালের পলেস্তারা প্রতিনিয়তই খসে পড়ছে। নষ্ট হয়ে গেছে মেঝের সলিং। এ অবস্থায় চরম ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা এখন এই পুরনো ভবনে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা প্রতিদিনই তাদের সন্তানদের সমস্যার কথা বলে নতুন ভবন তৈরির দাবি জানাচ্ছেন।
প্রধান শিক্ষক আরও জানান, স্কুলের ছেলেমেয়েদের টয়লেট বহুদিন আগে ভেঙে গেছে। আপাততঃ টিন দিয়ে অস্থায়ীভাবে একটি টয়লেট তৈরি করে কোনোভাবে কাজ চালানো হচ্ছে। অন্যান্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে ওয়াশব্লক তৈরি করা হলেও আজ পর্যন্ত সড়াতৈল স্কুলে কোনো ওয়াশব্লক নির্মাণ করা হয়নি। বিগত কয়েক বছরে স্কুল থেকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের ধ্বংসপ্রায় ভবনটি অপসারণ করে সেখানে নতুন শ্রেণিভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এখানে নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পুরনো ভবনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরিচালনায় দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন শ্রেণিভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরে তালিকা পাঠানো হয়েছে। ওই তালিকায় সড়াতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। খুব শিগগিরই এই বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণিভবন নির্মাণ সম্ভব হলে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই শিক্ষা কর্মকর্তা।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর