× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ১৮ মে ২০২২, বুধবার , ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

চলতি অধিবেশনে ইসি গঠনে আইন কারা থাকছেন অনুসন্ধান কমিটিতে?

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
২১ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার

একাদশ জাতীয় সংসদের চলতি ষষ্ঠদশ অধিবেশনেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে আইন পাস হতে চলেছে। সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদে ইসি গঠনে একটি নির্দেশনা রয়েছে। সে নির্দেশনা মোতাবেক আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে সুপারিশ দিতে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। প্রেসিডেন্টের অনুমোদন নিয়ে এই অনুসন্ধান কমিটি হবে। এ কমিটির দায়িত্ব ও কাজ হবে যোগ্য প্রার্থীদের নাম সুপারিশ করা। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন-২০২২’-এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।
ছয় সদস্যের এ অনুসন্ধান কমিটির প্রধান হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্টের একজন বিচারপতি, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রেসিডেন্টের মনোনীত দু’জন বিশিষ্ট নাগরিক।
কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটি যোগ্য প্রার্থীদের নাম সুপারিশের পর সেখান থেকে প্রেসিডেন্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেবেন।
তবে ওই পদগুলোতে নিয়োগের জন্য আইনের খসড়ায় যোগ্যতার কিছু শর্ত দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে, প্রথমত যাদের নিয়োগ করা হবে তাদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। দ্বিতীয়ত, ন্যূনতম বয়স ৫০ বছর হতে হবে এবং তৃতীয়ত, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারি বা বিচার বিভাগীয় পদে ওইসব ব্যক্তির কমপক্ষে ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এসব যোগ্যতা থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার হতে পারবেন। তবে এই ২০ বছরের মধ্যে কোন পদে কত বছর থাকতে হবে, তার কিছু উল্লেখ নেই খসড়ায়। আর এসব পদে নিয়োগে অযোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব থাকা বা আনুগত্য প্রকাশ করা (তবে দ্বৈত নাগরিক হলে হওয়া যাবে), নৈতিক স্খলন হলে এবং ফৌজদারি অপরাধে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত হলে এসব পদে নিয়োগ পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া কেউ প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অবসরে গেলে আর সেই পদে নিয়োগ পাবেন না। তবে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অবসরে গেলে শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান ডিসি সম্মেলনে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও কমিশনার নিয়োগের জন্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হওয়া আইনের খসড়া সংসদের চলতি অধিবেশনে পাস করার প্রচেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে চলমান অধিবেশনে পাস করার। কিছুটা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে, বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, প্রয়োজনে এই আইন সংশোধন করা হবে। আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুইবার আলোচনা করেছি, একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সেই অফিসকে অবহিত করা হয়েছে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তারা যেন শিগগিরই আমাদের তারিখ দেয়। আইন ও বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে আইন ও বিচার বিভাগ, আইসিটি, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি মিলিয়ে ছয়জন সদস্য রয়েছেন। কমিটির কাজ কী হবে- এ প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, এগুলো (আইনের অপব্যবহার) যাতে না হয়, সারা পৃথিবীর যে বেস্ট প্র্যাকটিসেজ, জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো নির্ণয় করে আমাদের দেশের জন্য কতটুকু প্রয়োজন সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটা আমরা হয়তো বিধি দিয়ে গ্রহণ করবো। যদি প্রয়োজন হয় আইন কিছুটা সংশোধনও করা হবে। আইনটির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে আনিসুল হক বলেন, আইনটি প্রধানত সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য করা হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য করা হয়নি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর