× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২০ মে ২০২২, শুক্রবার , ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৮ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

কাজী আনোয়ার হোসেনের অন্তিম বিদায়

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
২১ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার

মাসুদ রানা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেয় সারা বিশ্বে। কিন্তু তার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন বড়ই নিভৃতচারী। দেশের রহস্য-রোমাঞ্চ সাহিত্যের এই পথিকৃৎ, ভিন্ন ধারার প্রকাশনার সফল উদ্যোক্তা চিরবিদায় নিলেন নিভৃতেই। বুধবার ৮৫ বছর বয়সে ইন্তেকালের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর কবরস্থানে মা সাজেদা খাতুনের কবরে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। কাজী আনোয়ার হোসেনের শেষ ইচ্ছা ছিল মা’র কবরেই থাকবেন তিনি। গতকাল সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বারডেমের হিমঘর থেকে তার মরদেহ ২৪/৪ কাজী মোতাহার হোসেন সড়কের বাড়িতে নেয়া হয়। এ বাড়িটিতেই তার প্রতিষ্ঠিত দেশের ভিন্নধারার প্রকাশনা সংস্থা সেবা প্রকাশনীর কার্যালয়।
তৃতীয় তলায় ছিল তার দপ্তর। সকালে বাড়ির সামনে বিষণ্ন মুখে অপেক্ষা করছিলেন সেবা প্রকাশনীর নানা পর্যায়ের কর্মী ও স্বজনরা। ছেলে কাজী মায়মূর হোসেন বলেন ‘বাবা বলে গিয়েছিলেন মৃত্যুর পরে তাকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া না করতে। তাছাড়া এখন করোনার সংক্রমণও বেড়েছে। সব মিলিয়েই মরদেহ শহীদ মিনার বা অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হয়নি। তবে তিনি বলে গেছেন প্রকাশনীর কাজ আমরা যেন অব্যাহত রাখি। আমরা দুই ভাই সেই চেষ্টা করে যাবো। বাদ জোহর সেগুনবাগিচার কাঁচাবাজার মসজিদে কাজী আনোয়ার হোসেনের জানাজার নামাজ আদায় করা হয়। এরপর শববাহী গাড়ি যাত্রা করে বনানী গোরস্থানে। সেখানে বেলা তিনটায় তাকে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। কাজী আনোয়ার হোসেন প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত প্রায় তিন মাস থেকে চিকিৎসার ভেতরেই ছিলেন। গত ১০ই জানুয়ারি থেকে তাকে বারডেম হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। বুধবার বিকাল সাড়ে চারটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন ২০১৫ সালে এবং মেয়ে শাহরিন সোনিয়া ২০১৪ সালে ইন্তেকাল করেন। দুই ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন ও কাজী মায়মূর হোসেনসহ আত্মীয়স্বজন আর দেশ-বিদেশে অসংখ্য গুণমুগ্ধ পাঠককে শোকাচ্ছন্ন করে গেলেন মাসুদ রানা ও কুয়াশার স্রষ্টা, সেবা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা কাজী আনোয়ার হোসেন। তবে পাঠকের মনে বেঁচে থাকবেন সবার প্রিয় ‘কাজী দা’।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর