× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৯ মে ২০২২, রবিবার , ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

গরু চুরির পর জবাই করে বিক্রি করতো তারা

বাংলারজমিন

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
২৩ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল তাদের বিরুদ্ধে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, ওই তিনজন গরু চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। গরু চুরির পর রাতের আঁধারে জবাই করে মাংস বিক্রি করতো তারা। গ্রেপ্তার হওয়া গরু চোর চক্রের ওই তিন সদস্য হলো- ভোলার দক্ষিণ আইচা থানার  চরকলমি গ্রামের সোহাগ হাওলাদারের ছেলে মিজানুর রহমান (২২), দশমিনা উপজেলার পূূর্ব লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ মুসুল্লির ছেলে আনিসুর রহমান (৩৫) এবং রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের মাঝের চর গ্রামের আব্দুল কাদের হাওলাদারের ছেলে কালাম হাওলাদার (৪০)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রাম সংলগ্ন বন থেকে তিনটি গরু চুরি করে ট্রলারযোগে নিয়ে যাচ্ছিল চোর চক্র। এ সময়  হাতেনাতে চোর চক্রের এক সদস্য মিজানুরকে ধরে ফেলে স্থানীয় লোকজন। একপর্যায় তাকে গণপিটুনি দিয়ে তিনটি গরু এবং চুরিতে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারসহ চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পরে মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুলিশের কাছে তার সহযোগীদের নাম প্রকাশ করে। সে অনুযায়ী শনিবার দুপুরে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিত মাঝের চর গ্রামে অভিযান চালিয়ে কালাম ও আনিসুরকে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত ওই তিনজন সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের সদস্য। পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা গরু চুরি করে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বাজারে নিয়ে রাতের আঁধারে জবাই করে মাংস বিক্রি করতো। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একজনকে ইতিমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি দুইজনকে রোববার আদালতে পাঠানো হবে।’
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর