× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২০ মে ২০২২, শুক্রবার , ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৮ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

তাদের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
২৩ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সদিচ্ছা থাকলে ভালো নির্বাচন করতে পারতো। তাদের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য সুখকর না হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অধিকতর গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য প্রস্তাবিত খসড়া আইনে মনে হচ্ছে অনেক অপূর্ণতা রয়েছে। এই আইনটির অনেক সংশোধন করতে হবে।
গতকাল রাজধানীর চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজিত ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। গত ১৭ই জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন-২০২২ এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ রোববার নির্বাচন কমিশন বিল জাতীয় সংসদে ওঠার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটি নিয়ে এটিএম শামসুল হুদা বলেন, এখানে আস্থার অভাব ছিল।
আরও তদারকির দরকার ছিল। এত তাড়াহুড়োর প্রয়োজন ছিল না। এই আইনের খসড়া পড়ে মনে হয়েছে, এটি সার্চ কমিটি গঠনের খসড়া।
নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রস্তাবিত আইনের সমালোচনাও করেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের মতো জায়গায় আমাদের অন্তত সৎ ও পরিচ্ছন্ন মানুষ প্রয়োজন। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে এবং তিনি অব্যাহতি পান, তাহলে তাকে নিয়োগ দিতে বাধা নেই। এটি আমার কাছে ভালো লাগেনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামসুল হুদা বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি নিয়ে জনগণেরও মতামত নেয়া প্রয়োজন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর এমন একটি আইন হলে এটির যোগ্যতা প্রমাণ করা উচিত। এটিএম শামসুল হুদা বলেন, ৫০ বছরে অনেক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে। তাই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর হয়ে গেছে কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দল চায় না একটি ভালো নির্বাচন কমিশন গঠন করা হোক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী। প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি ও বিরোধী দল হিসেবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকেরা অংশ নেন। বিতর্কে বিজয়ী হন বিরোধী দলের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকেরা।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Munir Hossain
২৪ জানুয়ারি ২০২২, সোমবার, ৬:২৪

আপনি জনাব আইটেম শামসুল হুদা ২০০৮ সালে আপনার কি ভুমিকা ছিল দেশের মানুষ সে কথা ভুলে যায়নি। আপনি আর আপনার ২ কমিশনার সুহুল হোসাইন ও সাকাওয়াত হোসাইন। সে দিন বলেছিলেন। আসেন আসেন আজকের এই নির্বাচন কমিশন আপনাদেরই আনদোলনের ফসল।

rifat
২৩ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার, ৩:৪৯

রাজনৈতিক দলগুলোর লজ্জার কিছু বাকী নেই ৫০ বছর হয়ে গেছে এখনো দেশে জনগনের মতের কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই তাঁদের নেই কোন অংশগ্রহণ, ব্যাবসায়ি বনিক শ্রেণী এখন রাজনীতিতে শোষণ করে চলছে ধর্মীয় শক্তিকে সাথে নিয়ে। এই দেশের কোন মা বাপ নেই আর হবেও না, তবে বর্তমান সরকার যে নজির তৈরি করেছে তার খেসারত দেশ বেশী দিবে ভবিষ্যতে।

Kazi
২২ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার, ৮:৫১

যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দল চায় তাবেদার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান- শুধু নির্বাচন কমিশন নয় সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই তা সম্ভব হয়ে উঠে নি পঞ্চাশ বছরে ।

শহীদ
২৩ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার, ৯:১৩

২০০৮ এর নির্বাচনে আপনার ভুমিকা কতটা প্রশংসনিয় জাতির কাছে জবাব দিতে হবে।

অন্যান্য খবর