× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২১ মে ২০২২, শনিবার , ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

বুরকিনা ফাসোর সেনা ব্যারাকে গোলাগুলি, অভ্যুত্থানের কথা প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(৩ মাস আগে) জানুয়ারি ২৩, ২০২২, রবিবার, ৭:১৫ অপরাহ্ন

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর সামরিক ব্যারাকে ভারি গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর রটে গেছে যে, সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে। সরকার ক্ষমতা হারিয়েছে। কিন্তু সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেনি বলে জানিয়েছে সেনারা। এ খবর দিয়ে অনলাইন সিএনএন বলছে, রাজধানী ওগাদোগুতে’ সাঙ্গোউলি লামিজানা সামরিক ক্যাম্পে ভারি গুলি বিনিময় হয়েছে। ওই ক্যাম্পের ভিতরে আছে সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফের বাসভবন এবং একটি জেলখানা। সেখানে ২০১৫ সালের ব্যর্থ এক সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িত সেনাদের বন্দি রাখা হয়েছে। ওই ক্যাম্পে রোববার স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় গোলাগুলি শুরু হয়।
সাংবাদিকরা পরে দেখতে পান, ওই ক্যাম্পের ভিতরে ফাঁকা গুলি করছেন সেনারা। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, কায়া সামরিক ক্যাম্পেও গোলাগুলি হয়েছে। কায়া হলো রাজধানী থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে। কয়েকটি সামরিক ক্যাম্পে গোলাগুলির খবর নিশ্চিত করেছে বুরকিনা ফাসো সরকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে, সেখানে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। কিন্তু দেশটির সরকার তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকারের মুখপাত্র আলাকোসুম মাইগা বিবৃতিতে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে তাতে বলা হয়েছে সেনাবাহিনী ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু সরকার এই খবর প্রত্যাখ্যান করছে। জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মালি এবং গিনিতে দেড় বছরের বেশি আগে সফল অভ্যুত্থানের পরে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার এ দেশটি রয়েছে উচ্চ সতর্ক অবস্থায়। গত বছর প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস ডেবি বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়ার পর চাদে’র ক্ষমতা কেড়ে নেয় সেনারা। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সন্দেহে এ মাসের শুরুর দিকে বুরকিনা ফাসো কর্তৃপক্ষ ডজনখানেক সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। ডিসেম্বরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অদলবদল করার পর এই গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সেনাবাহিনীতে নিজের সমর্থকদের সামনে টেনে নেয়ার জন্য এসব কাজ করেছেন প্রেসিডেন্ট রোচ কাবোরা।

গত বছর আল কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যুক্ত থাকা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এ দেশটি হত্যা করেছে কমপক্ষে দুই হাজার মানুষকে। এতে রাজপথে সহিংস বিক্ষোভ হয় নভেম্বরে। তা থেকে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করা হয়। শনিবার আরও বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। রাজধানীতে বিক্ষোভে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করলে শত শত মানুষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। বিভিন্ন সময়ে সরকার মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ স্থগিত করেছে। নভেম্বরে উত্তেজনাকর অবস্থায় জাতিসংঘের পশ্চিম আফ্রিকা বিষয়ক বিশেষ দূত দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের সতর্কতা দেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর