× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ১৯ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার , ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

যেকোন সময় হামলা! দূতাবাস কর্মীদের পরিবারকে ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(৩ মাস আগে) জানুয়ারি ২৪, ২০২২, সোমবার, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

যেকোন সময় সামরিক আগ্রাসন চালাতে পারে রাশিয়া। এ জন্য ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সব স্টাফের পরিবারকে ওই দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যেসব স্টাফ অত্যাবশ্যকীয় নন, তাদেরকে ইউক্রেন ছাড়তে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের ব্যয় বহন করবে সরকার। এ ছাড়া ওই দেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরকে ইউক্রেন ছাড়ার বিষয় বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বড় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। তবে এমন আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনার কথা প্রত্যাখ্যান করে আসছে দেশটি। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি ও অনলাইন বিবিসি।

বেশ কিছুদিন ধরে ইউক্রেন সীমান্তে এক লাখ সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।
এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে ওই অঞ্চলে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শুক্রবার জেনেভায় বৈঠক হয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেন ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের মধ্যে। তাতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই বিবৃতি দিয়েছে। তবে জানানো হয়েছে, কিয়েভে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস খোলাই থাকবে। একই সঙ্গে ওই দেশটি থেকে মার্কিনিদের গণহারে প্রত্যাহার করা হবে না। রাশিয়া যে ইউক্রেনে হামলা চালাবে এমনটা বেশ কিছুদিন ধরে আন্দাজ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরাসরি ও প্রকাশ্যে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার বিবৃতিতে বলেছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বড় রকম সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। পক্ষান্তরে ইউক্রেন নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে দায়ী করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাশিয়া দখলীকৃত ক্রাইমিয়া, বিশেষত ইউক্রেন সীমান্ত ও ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল। সামান্য সময়ের নোটিশে সেখানে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। ইউক্রেনজুড়ে, বিশেষ করে রাজধানী কিয়েভে নিয়মিত প্রতিবাদ বিক্ষোভ হচ্ছে। তা কখনো কখনো সহিংস হয়ে উঠছে।

এর আগে কোভিড-১৯ এর কারণে ইউক্রেন সফরের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়ায় উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রোববার থেকে তা আরো শক্তিশালী সতর্কতায় পরিণত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সামরিক হামলার আশঙ্কা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে কেউ ইউক্রেন সফর করবেন না। অপরাধ এবং গণঅসন্তোষ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনে সতর্কতা বাড়াতে হবে। এরই মধ্যে অনেক এলাকায় ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাশিয়া সফরের পরামর্শও পরিবর্তন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ইউক্রেন সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রাশিয়া সফরে যাবেন না। সেখানে মার্কিন নাগরিকরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারেন। রাশিয়ায় মার্কিন নাগরিকদের সহায়তার সক্ষমতা এখন সীমিত পর্যায়ের। রাশিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের করোনাভাইরাস সম্পর্কিত বিধিনিষেধ, সন্ত্রাস এবং হয়রানি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারীদের স্বেচ্ছাচারিতা তো আছেই।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর