× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ১৯ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার , ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

মাগুরায় শীতের তীব্রতা শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ

বাংলারজমিন

মাগুরা প্রতিনিধি
২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার

মাগুরায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে। গতকাল রোববার সূর্যের আলো দেখা যায়নি। ভোর থেকে শৈত্যপ্রবাহ, হিমেল ঠাণ্ডা বাতাস ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে আচ্ছন্ন ছিল দিনটি। কর্মব্যস্ত মানুষ ভোর থেকেই তীব্র শীতের মধ্যে কাজের সন্ধানে বের হন। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও অফিস আদালত, হাট-বাজার, ব্যাংক-বীমা, মার্কেটসহ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ছিল খোলা। শীত উপেক্ষা করে কর্মমুখী মানুষ নিজ নিজ কর্মস্থলে যেতে থাকেন।
দিনমজুর হারেজ আলী, ফসিয়ার, আক্কাস ও দিলু জানান, সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমরা কাজে বের হতে পারিনি। আমরা সাধারণ মানুষের দিনের আয়ে দিনের সংসার চালায়।
কাজ না থাকার কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে আছি।
রিকশাচালক আতিয়ার মোল্যা, কামাল, কামরুল জানান, কয়েকদিনের মধ্যে গতকাল শীতের তীব্রতা খুবই বেশি ছিল। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। ফলে আমাদের কাজ করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। আবার বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অনেক বেশি। চাল, ডাল, তেলসহ সব জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। তাই গরিব মানুষের বেঁচে থাকায় দায়।
ফুটপাথের শীতের কাপড় বিক্রেতা রফিক, জব্বার, মতিন, শফিকুল জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ভালোই বেচাকেনা করেছি কিন্তু আজ শীতের তীব্রতা ও বৃষ্টির কারণে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসতে হবে।
মাগুরা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, ঠাণ্ডাজনিত কারণে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক শিশু ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে বেড না পেয়ে ফ্লোরে, বারান্দায় আশ্রয় নিয়ে শিশুকে চিকিৎসা দিচ্ছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর