× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৬ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৪ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

কাউনিয়ায় সরিষা ফুলের গন্ধে মুখরিত মাঠ

বাংলারজমিন

রংপুর (কাউনিয়া) প্রতিনিধি
২৬ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার

উত্তরের জনপদ রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছেয়ে গেছে সরিষার হলুদ ফুলে। ফুলের গন্ধে মুখরিত হয়েছে মাঠ।  পৌষের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষার হলুদ হাসিতে স্বপ্ন দেখছে কৃষক।
কাউনিয়া কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কাউনিয়া উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে ৪৩০ হেক্টর জমিতে টরি-৭, বারি ১৪, বারি-১৫, বারি- ১৭, বারি-১৮, বিনা-৪ এবং ৯ সহ  উন্নত জাতের সরিষা চাষ হয়েছে। বেড়ে ওঠা গাছ আর ফুল দেখে বেশি ফলনের স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার কৃষকরা। বিগত বছরে স্থানীয় বাজারে উন্নত জাতের সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা এবারও সরিষা চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, আমন ধান কাটার পর জমি  তৈরি করে সরিষা আবাদ করা হয়। ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মাথায় সরিষা ফলন ঘরে আসে। ১ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে খরচ হয় ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা।
প্রতি বিঘায় ৩ থেকে ৪ মণ ফলন হয় সরিষার, যা বর্তমান বাজারে বিক্রি হবে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। গদাই গ্রামের এক কৃষক বলেন, আমন ধান কাটার পর জমিগুলো পড়ে থাকে, তাই প্রতি বছর আমার জমিগুলোতে সরিষা চাষ করি। এবারও সরিষা চাষ করেছি। গাছ অনেক ভালো হয়েছে, আশা করছি ফলনও অনেক ভালো হবে। তিনি আরও বলেন, জমিতে সরিষা চাষের সময় সার প্রয়োগ করলে বোরো চাষের জন্য আলাদাভাবে সার দিতে হয় না। এটা আমাদের অনেক উপকারে আসে।
কুর্শা ইউনিয়নের এক কৃষক বলেন, আমন কাটার পর সরিষা চাষ করলে আমাদের অনেক উপকার হয়। কারণ সরিষা কাটাই-মাড়াই করে সেটা বিক্রি করে দেই, সেই টাকা দিয়ে বোরো ধান লাগাই। এটা আমাদের একটা বোনাস ফসল।
এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন কৃষক বলেন, এটা স্বল্প খরচে একটি বোনাস ফসল যা প্রান্তিক কৃষকদের অনেক উপকারে আসে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমাদেরকে সার, বীজসহ বিভিন্ন সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন বলেন, কাউনিয়া উপজেলায় এবার সরিষার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার চাষ হয়েছে ৪৮৫ হেক্টর জমিতে। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ৫০ হেক্টার বেশি। আমরা সরিষা চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে কৃষকদের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এ মৌসুমে ৯৬০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ডিএপি, পটাশ ২০ কেজি ও ১ কেজি করে বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর