× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ মার্চ ২০২১, সোমবার

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগের ৮ নেতা-কর্মীর বিচার শুরু

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ১৭, ২০২১, রবিবার, ১:৪২ অপরাহ্ন

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে দলবেধে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগের আট নেতার বিচার শুরু হয়েছে। রোববার সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হকের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। আলোচিত এই ধর্ষণ মামলায় গণর্ধষণ, অপহরণ ও গণধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে চার্জ গঠন করা হয়। একই সঙ্গে আদালত তিন আসামির দাখিলকৃত ডিসচার্জ পিটিশনও না মঞ্জুর করেছেন।

আদালতের এপিপি এডভোকেট রাশেদা খানম জানিয়েছেন, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে আলোচিত ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। আগামী ধার্য্য তারিখে আদালতে স্বাক্ষ্য গ্রহণ হবে। ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি ও রবিউল হাসান ইসলামের পক্ষে অভিযোগপত্রের উপর ডিসচার্জ পিটিশন দাখিল করলে আদালত শুনানী শেষে তা না মঞ্জুর করেন। এসময় অর্জুন লস্কর ও মাহবুবুর রহমান রনির আইনজীবীরা জামিন চাইলে আদালত তা না মঞ্জুর করেন।


গত বছরের ২৫শে সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। গত ৩রা ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মোঃ জহিরুল ইসলাম
১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ৩:০৭

সোনালী সংঘঠনের সোনালী ছেলেরা।

অন্যান্য খবর