× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিএনপির কর্মসূচি লোক দেখানো’

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মার্চ ৬, ২০২১, শনিবার, ১২:২৯ অপরাহ্ন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিএনপি যে কর্মসূচি দিয়েছে তা লোক দেখানো বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিএনপির কর্মসূচি ইতিহাস বিকৃতির আস্ফালন, যা জাতিকে হতাশ করেছে। আজ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ৭ই মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমন্ডলীর সঙ্গে এক যৌথসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশ যখন সমৃদ্ধির পথে তখন একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশে-বিদেশে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে নিষিদ্ধ করে এখন বিএনপি ৭ই মার্চের কর্মসূচি পালন করছে যা ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি আরও বলেন, জনগণ থেকে সাড়া না পেয়ে বিএনপি এখন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২৬শে মার্চের কর্মসূচি নেয়া হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২৬শে মার্চ ২০২১ থেকে পরবর্তী ২৬শে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হবে।  ২৬শে মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসবেন বলেও জানান তিনি।
যৌথসভায় আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপুমনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, বিএম মোজাম্মেল হক, আহমদ  হোসেন, মির্জা আজম, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সায়েম খানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জিলানী লন্ডন
৬ মার্চ ২০২১, শনিবার, ২:৫৫

গণতন্ত্র হল জনগনের শাসন। অত্যন্ত কঠিন ও জটিল তত্ত্ব। সংজ্ঞায়িত সহজ। গণতন্ত্র বড় ভাইদের চাপিয়ে দেওয়া কোন তন্ত্র অথবা মন্ত্র নয়। কোন দেশ ও জাতি তা অর্জন করতে হলে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়। রাস্ট সহ রাজনৈতিক দল ও নেতিত্বের সুস্থ মন, মানসিকতা, ধ্যান, জ্ঞান ও শিক্ষা দীক্ষার প্রয়োজন। এ সবের সুস্থ সমাবেশে গণতান্ত্রিক সাফল্য। বর্তমানে বড় তিনটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেখুন। একটি দেশে ত পার্লামেন্ট সুরক্ষা না করতে পারায় অধিবেশন মুলতবী। কেউ কি কোন দিন তা চিন্তা করেছিলেন। তাইত অধিকতর গণতন্ত্রের কথা শুনা যাচ্ছে। আমার মনে হয়, কোন দেশে যদি তার দেশের জনগণ অথবা রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে অধিক জাতীয়তাবাদী চেতনা প্রবল থাকে, তখন সে দেশে গনতান্ত্রিক মূল্যবোধ হুমকির সন্মোখীন হয়। গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য প্রয়োজন উদার আন্তর্জাতিক ধ্যান ও ধারণা।

অন্যান্য খবর