× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ৯ মে ২০২১, রবিবার, ২৬ রমজান ১৪৪২ হিঃ

নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণের আহবান বাবুনগরীর

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ২০, ২০২১, মঙ্গলবার, ১:২২ পূর্বাহ্ন

নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনি বলেছেন, আপনারা ধৈর্য ধারণ করুন, কোনও সংঘাতে যাবেন না। কোনও জ্বালাও পোড়াও করবেন না। হেফাজতে ইসলাম ভাঙচুর আর জ্বালাও পোড়াওতে বিশ্বাস করে না। বরং হারাম মনে করে। আপনারাও ধৈর্য ধারণ করুন।

সোমবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহবান জানান।

জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, শুধু দুনিয়ার হায়াত নয়, আসল হায়াত শুরু হবে মৃত্যুর পর থেকে। কবরের হায়াত, হাশরের হায়াত, আখেরাতের হায়াত, বেহেস্তের হায়াত। নিরাশ হবেন না।
হতাশ হবেন না। হিম্মত, সাহস রাখুন, বালা মুসিবত বিপদের ওপর ধৈর্য ধারণ করুন। খবরদার কোনও ভাঙচুর করবেন না। জ্বালাও পোড়াও করবেন না। সংঘাতে যাবেন না।

একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এটাতো হযরত আদম (আ.) এর যুগ থেকে চলে আসতেছে। যাদের ঈমান আকিদা বেশি মজবুত তাদের ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষাও শক্ত হয়। বিপদও শক্ত আছে। নবীগণের দ্বীন ও ঈমান সবচেয়ে বেশি শক্ত ছিল, তাই নবীরা বেশি বিপদের শিকার হয়েছেন। এরপর সাহাবায়ে কেরাম, তাদের দ্বীন ও ঈমান শক্ত ছিল বিধায় তারাও নবীদের পরে বেশি বিপদের মুখোমুখি হয়েছেন। এভাবে সিলসিলা চলতে থাকবে। আমাদের মধ্যেও যাদের দ্বীন ঈমান বেশি মজবুত, যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন, তার ওপর বিপদ আসে। তারা পরীক্ষার সম্মুখীন হন।

জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, কাউকে ক্ষমতায় বসানো, কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য নয় পরিষ্কার ভাষায় বলে আসতেছি। কোনও পার্টি বা দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য নয়। পরিষ্কার ভাষায় বলে আসতেছি। হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর জমিনে মোহাম্মদ রাসুল (স.) এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা। কিন্তু কিছু কুচক্রীমহল নানাভাবে এসব গুজব ছড়াচ্ছে। সরকারের প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা এ গুজবে কান দেবেন না।
তিনি বলেন, অনেকের সন্দেহ ‘হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য হলো অমুক অমুক দলকে ক্ষমতায় বসানো। ... নাউজুবিল্লাহ, এটি ডাহা মিথ্যা কথা। নির্জলা মিথ্যাচার।

তিনি আরও বলেন, হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে ২০১০ সালে। এখন ২০২১ সাল, এই ১১ বছরে কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না, অমুক পার্টির সাথে হেফাজতে ইসলামের সম্পর্ক ছিল। কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না।

প্রশাসন মাহে রমজানে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদেরকে, ওলামা কেরামকে, দেশের জনগণকে, তৌহিদী ছাত্র জনতাকে হয়রানি করছে উল্লেখ করে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আমাদের যেসব নেতাকর্মী, হক্কানি আলেম, নির্দোষ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তি দান করুন। বড় বড় আলেম, আজিজুল হক ইসলামাবাদি, জুনায়েদ আল হাবিব, মুফতি সাখাওয়াত, মাওলানা মামুন, মামুনুল হক, মুফতি ইলিয়াস হামিদীসহ আরও অনেক বড় বড় আলেম, তৌহিদী জনতা, ছাত্র জনতা যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তি দিন।

তিনি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ২০১৩ সালের মামলায় ৮/৯ বছর পর এখন গ্রেফতার করা হচ্ছে। এতদিন কোথায় ছিলেন আপনারা? আর এই ২০১৩ সালের মামলা হিসেবে যেগুলো সাজানো হয়েছে এগুলো ডাহা মিথ্যা। ২০১৩ সালের ডাহা মিথ্যা মামলায় যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদেরকেও মুক্তি দিন। এটাও আমাদের দাবি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Hasan
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:০৩

যারা আলেমদের কে সম্মান করে, আল্লাহ তাদের সম্মান বাড়িয়ে দেন। উনারা মানুষকে আখেরাতের ব্যাপারে সতর্ক করেন, কিন্তু হায়,আফসোস, কিছু শয়তান মানুষ আজ তাদের পিছনে লেগেছে। তাদের কে হত্যা করতেও দ্বিধা করছে না। কোরআন খুলে দেখুন, সবচেয়ে বেশি নবী রাসূল ও আলেমদের কে হত্যা করেছে ইহুদী জাতি।তাই আজ তারা অভিশপ্ত। মহামারী তে মানুষ মারা যাচ্ছে, সেটা নিয়ে আমাদের মিডিয়া রিপোর্ট করতে করতে শেষ, কিন্তু ১/২ দিনে ২০-২৫ জন আলেম ও জনসাধারণকে গুলি করে হত্যা করা হল,এটা নিয়ে কোন রিপোর্ট নেই কেন? আসুন ভাবি, দুনিয়ার ৭০-৮০ বছর বয়স বেশী ভাল, নাকি আখেরাতের অনন্তকাল বেশী ভাল? বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই আলেমসমাজ ই। অনেক আলেম শহীদ হয়েছিলেন। তাই আজকে আমরা পেয়েছি আমাদের এই মাতৃভূমি। হে আল্লাহ, এ দেশের আলেম,ওলামাদের তুমি হেফাজত কর।

আনিস উল হক
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:২২

মামুনুল হকের অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে তো নিশ্চুপ থেকে গেলেন। অচিরেই হয়ত জানব দুই নারী তার রক্ষিতা ছিল ! আর সাঙ্গ-পাঙ্গদের নিয়ে আপনারা বলবেন এই প্রথা শরিয়ত নাযায়েজ করেনি ও তা বেশরা নয়!

Shah
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১:৫০

ঠেলার নাম বাবাজি। আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও ভাংচুরের যে উগ্র মানসিকতা হেফাজত কর্মীদের মধ্যে বাংলার মানুষ দেখেছে সেটা শাঁক দিয়ে মাছ ডাকা যাবে না। আপনাদের এজেন্ডা এই দেশে ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েম করা এটা কোন সরকার না হটিয়ে কিভাবে করবেন? ধরি মাছ না ছুঁই পানি করতে হলে তো অন্যের কাঁধে বন্দুক রেখেই শিকার করতে হবে। সেদিনের সেই সাড়ে সাত কোটি বাঙালির উত্তরসূরিরা জীবিত থাকতে এদেশকে সাম্প্রদায়িক দেশ হতে দেবে না। এইদেশ হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সর্ব ধর্মের সর্ব বর্ণের একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে ৭১ সালে উদয় হয়েছিল এবং থাকবে এটাকে পাকিস্তানের মতো তালেবানি শেড রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না।

অন্যান্য খবর