× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

করোনার ভয়াবহ সময়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ সুইসাইড সিদ্ধান্ত নিচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) মে ১০, ২০২১, সোমবার, ৫:৪২ অপরাহ্ন

ঈদে ঘরমুখো মানুষ লকডাউনের সামান্য শিথিলতার সুযোগ নিয়ে যাতায়াত করে সুইসাইড সিদ্ধান্তের শামিল হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, দলবেঁধে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধির কোনরকম তোয়াক্কা না করে যেভাবে ফেরি পারাপার সহ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করছে তা একেবারে কাম্য নয়।

আজ দুপুরে দেশের চারটি বর্ডার এলাকার বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনলাইন জুম অ্যাপ’র মধ্যমে ‘ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক জরুরি দিক নির্দেশনামূলক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারনে প্রতিদিন হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছে। ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্টটি এখন নেপালে ছড়িয়ে গিয়ে সেখানে ভয়াবহতা সৃষ্টি করেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট এখন আমাদের দেশেও চলে এসেছে। এইরকম ক্রিটিকাল সময়ে এই ভাইরাস দেহে নিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যদি গ্রামে চলে যায়, তাহলে গ্রামে থাকা পরিবার পরিজনসহ গ্রামবাসী গণহারে আক্রান্ত হতে পারে। শহরাঞ্চলেও মানুষ এখন বেপরোয়া চলাফেরা করছে। মন্ত্রী বলেন. ঢাকা সহ দেশের বড় বড় বিভাগীয় শহরে শপিংমলসহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে মানুষ চলাফেরা করছে। এভাবে চলতে দিলে ঈদের পর দেশে ভারত, নেপালের মতো ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
একারণে প্রতিটি বর্ডার এলাকার দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে কাজ করতে হবে। বর্ডার এলাকার ভারত যাতায়াতকারী ব্যক্তিকে দ্রুত ও বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। বর্ডার এলাকার কোন যানবাহন নিজ জেলার বাইরে মুভমেন্ট যেন করতে না পারে সে ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্ডার এলাকার ৪টি বিভাগ রংপুর, সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, বর্ডার এলাকা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে করণীয় বিষয়াদি নিয়ে সার্বিক নির্দেশনা দেন ও তাদের মতামত শোনেন।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ১৫ দিন বর্ডার এলাকায় কতজন মানুষ ভারতে যাতায়াত করেছে তার তালিকা জানতে চান। মন্ত্রী বর্ডার এলাকায় ব্যাপক হারে কোভিড পরীক্ষা চালানোর নির্দেশনা দেন। ভারত যাতায়াতকারীদের পরিবারের সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে বলেন এবং বর্ডার এলাকায় যেকোন ধরনের যানবাহন যেন এক জেলা থেকে অন্য জেলায় মুভমেন্ট করতে না পারে সেটি নিশ্চিত করার জরুরি নির্দেশনা দেন।
সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার জানান, খুলনা বিভাগীয় এলাকায় বর্তমানে ২৭০০ জন ভারত যাতায়াতকারী ব্যক্তি হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। তাদেরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে বন্দর দিয়ে প্রবেশ করা ট্রাক ড্রাইভার, হেল্পারদের কোনভাবেই মুভমেন্ট করতে দেয়া হচ্ছে না। কঠোরভাবে তাদের আইসোলেশন ব্যবস্থায় জোর দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ভারত যাতায়াতকারী ড্রাইভার হেল্পারদেরকেও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভার আলোচনায় আরো অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচাল অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, এডিজি (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা, খুলনা, চট্রগ্রাম, রংপুর ও সিলেট বিভাগের রেঞ্জ ডিআইজি, বিভাগীও কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন্সসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shiblik
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ৩:৪৯

জন্মের পর থেকেই অনিয়ম এবং মানহীন শিক্ষার কারনে দেশ চোর, বাটপার আর বেপরোয়া মানুষে ভরে গেছে। প্রকৃতি অচিরেই শিক্ষা দিয়ে দিবে, ভারতে যেমনটি দিয়েছে।

Md. Harun al-Rashid
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৯:৫৭

হা হুতাস না করে প্রতিবেশী দেশের অবস্হা দেখে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিন। দেশের জেলা শহরের হাসপাতালগুলোকে যথাযথ নির্দেশনা দিন। পরিস্হিতি যেন কোন ভাবে নিয়ন্ত্রনের বাইরে না যায় সে নির্দেশনা দিন ও তদারকি করুন। মৃত্যুর সংখ্যা দিয়ে যেন জন মনে আতংক সৃষ্টি না হয় সে দিকে নজর দিন।

Nam Ki Janina
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৭:৪৮

The imbecile people in the illegal government cannot even come up with a solid plan.

Desher Bhai
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৭:৪৬

You are admitting failure in the coronavirus crisis and running the country!

মামুন
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৬:৩৭

সবই জনগণের দোষ। আপনারা ধোয়া তুলসী পাতা। সারা মার্চ মাস ধরে আপনারা যখন আপনাদের "স্বামীর" বাড়ীর মেহমানদের নিয়া অনুষ্ঠান উদযাপন করছেন, তখন করোনা ছিলনা? বরং আপনাদের অযোগ্যতা ও অদক্ষতা সব কিছুর জন্যে কাল হবে। সাধারন মানুষ সব কিছুই বোঝে।

Md. Abbas Uddin
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৬:২৪

করনায় স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে অজ্ঞ মানুষদেরকে বুঝাইতে পারে নাই এটা সরকারের চরম ব্যার্থতা ! করনায় সারা দেশে প্রতিদিন জনসচেতনতার জন্য ব্যাপক মাইকিং জরূরী ছিল। কিন্তু তাহা আমরা কোথাও দেখছি না। সরকার শুধু টিভি ও বিভিন্ন মিডিয়ায় ঘোষনা দিলেই কাজ হবে না। স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে যাহাতে মানুষ বুঝে এবং তাদের কানে পৌঁছে সেইজন্য ব্যাপক মাইকিং প্রয়োজন। কারন মাইকিং হল প্রত্যক্ষ প্রচারনা। মাইকের আওয়াজ সবাইর কানেই পৌঁছাবে। অজ্ঞ মানুষজন পত্রিকা, টিভির নিউজগুলি সাধারনত কমই দেখে। সেইখেত্রে মাইকিং একটি কার্যকরী অস্ত্র হিসাবে সবসময় প্রমানিত।

Md. Abbas Uddin
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৬:২২

* মাস্ক যেভাবে একটি বড় নিয়ামক শক্তি হিসাবে কাজ করে ! * করনাকে জিইয়ে রেখে আমরা পারিবারিক, সামাজিক, শিক্ষা, কর্মস্থল কোন কিছুতেই পূর্বের মত স্বাভাবিক পরিবেশ আশা করতে পারি না। তাই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় আল্লাহর রহমতে একমাত্র সঠিক নিয়মে “মাস্ক” পরিধানই পারে করনা মহামারী নিয়ন্ত্রন করতে এবং লকডাউনকে বিদায় করতে। তাই আসুন, “ সারাবছর মাস্ক পরার অভ্যেস করি, ভাইরাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি”-এই স্লোগানটিকে ধারন করি ও তাহা বাস্তবায়ন করি। জাতি হিসাবে মাস্ক পরার অভ্যেস যদি আমরা নিশ্চিত করতে পারি তবে শুধু বর্তমান করনাই নয়, করনার নুতন-নুতন শক্তিশালী ভার্সন এমনকি ভবিষ্যতে অজানা অন্যান্য আরও ভয়ংকর ভাইরাস থেকেও মুক্তি পেতে পারি ইনশাল্লাহ। তাছাড়া, মাস্ক পরিধানে ফুসফুসও ভাল থাকে (যাহা বিজ্ঞানীদের গভেষনায় প্রমানিত)। মাস্ক একটি বড় নিয়ামক শক্তি। যুগে-যুগে মহামারী নিয়ন্ত্রনে মাস্কের অবদান প্রমানিত হয়ে আসছে। হংকং সহ বিভিন্ন দেশে ১২ মাসই মানুষ মাস্ক পরে থাকে।

অন্যান্য খবর