× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ
কম দামে গরু বিক্রি

মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়া কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ সপ্তাহ আগে) জুলাই ২২, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের কৃষক লতিফ শেখ (৫৯)। দীর্ঘ দিন ধরে একটি গরু লালন-পালন করছিলেন তিনি। এলাকায় গরুটির দাম উঠে ১ লাখ ৬ হাজার টাকা। কিন্তু আরও লাভের আশায় গরুটি নিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি।  অবশেষে মাত্র ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হন লতিফ শেখ। ক্লান্ত শরীর ও বেদনা ভারাক্রান্ত মনে ফিরছিলেন বাড়িতে। পদ্মা নদী পাড়ি দেয়ার সময় বসেছিলেন ট্রলারের ছাউনির উপর। চরভদ্রাসন উপজেলার হাজিগঞ্জ ঘাটে ট্রলারটি ভেড়ার আগ মুহূর্তে ছাউনি থেকে পানিতে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিষয়টি আশপাশের কেউ টের পাননি।
ট্রলারের সব যাত্রী নেমে যাওয়ার পর খোঁজ পড়ে তার। পরে আরেকটি ট্রলারের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল বুধবার  বিকেল পাঁচটার দিকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘাটে। লতিফ শেখ গাজিরটেক ইউনিয়নের বাঞ্ছারাম বিশ্বাসের ডাঙ্গী গ্রামের মৃত আব্দুল শেখের ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার কারণে হয়ত ভারসাম্য হারিয়ে একপর্যায়ে তিনি ঘাটের কাছে ট্রলারের ছাউনি থেকে নদীতে পড়ে যান। তার সহযাত্রীরা সেটি বুঝতে পারেননি। ওই এলাকার বাসিন্দা চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কাওছার হোসেন বলেন, গত দুই বছর ধরে বাড়িতে একটা গরু লালন-পালন করে বড় করেন লতিফ। স্বপ্ন ছিল এবারের কোরবানির হাটে সেটি বিক্রি করে কিছু টাকা আয় করবেন। বাড়িতে গরু দেখতে আসেন অনেক ব্যবসায়ী। দাম ওঠে এক লক্ষ ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত। তবুও লতিফ শেখ গরুটি বিক্রি করেননি। গরুটি বেশি দামে বিক্রির আশায় তিনি গত সোমবার নিয়ে যান ঢাকায়। মঙ্গলবার সারাদিন ঢাকায় থাকার পরে গরুটি অবশেষে বিক্রি করেন মাত্র ৮০ হাজার টাকায়। কম দামে গরুটি বিক্রি হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন লতিফ শেখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লতিফ শেখসহ কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী অবিক্রীত গরু ট্রলারে করে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। লতিফ শেখ ট্রলার থেকে সবার অজান্তে নিচে পড়ে যান। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় পদ্মা নদীতে আরেকটি ট্রলারের নিচ থেকে। চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মৃতের জামাতা হযরত আলী বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
rahim
২৩ জুলাই ২০২১, শুক্রবার, ৬:০৯

হুট্ কইরা গরুর গোস্ত ৬০০ টাকা কেজি যা আগে ছিল ৩০০ গরু পালতে কি লাগে তা আমাগো জানা আছে এদের জন্য গরিব মানুষ গোস্ত খাওয়া ভুইলা গেছে

Mizanur rahman
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:৩৯

Love paap , paape mrittu.

Sultan mahmud
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৪৯

শুধু উনি একা নন, অসংখ্য অনেকে একই কায়দায় অধিক মুনাফার লোভে কোরবানির পশুগুলোকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। প্রচন্ড রোদে,জ্যামে আটকে থেকে পশুগুলো একেবারে নাজেহাল হয়ে যায়। পরের পর্বগুলো আরও ভয়াবহ! শুধু অধিক লাভের আশায় আমরা অধিক অমানবিক হয়ে যাচ্ছি....! যাকে একসময় অনেক স্নেহে লালন পালন করে, শুধু অর্থের লোভে তার সাথে কি দয়া মায়াহীন......

Tareq
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৪১

মি: ফজলু, আপনার কমেন্ট ঠিক নয়। আপনি একজন ছোট্ট খামারির গরু পোষার খরচ এবং আবেগ জানেন না। ভাল দাম পাবার আশা করা অন্যায় নয়

Aftab Chowdhury
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:৩৩

সাদিক এগ্রোর মত খামার মাফিয়ার সৃষ্টি হয়েছে এই দেশে , অস্বাভাবিক দামে গরুর দাম হাকিয়ে মিডিয়া প্রচার করে এরা ক্ষুদ্র খামারিদের মধ্যে সীমাহীন লোভের সৃষ্টি করেছে । কুফল হিসাবে লোভের বসবর্তি হয়ে কৃষক শ্রেনির ক্ষুদ্র খামারিরা এমন সব অস্বভাবিক দাম হাকা শুরু করে দিয়েছ যে মানুষ কুরবানি গরুর দাম জিজ্ঞেস করতেও ভয় পাচ্ছে , যার পরিনতি এবার ক্ষুদ্র খামারিরা ভোগ করেছে করায় গন্ডায় । এ থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বাভাবিক দামে গরু বিক্রি করার কথা ভাবতে হবে তাদের।

Md. Abdul Matin
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৫০

লোভ নয় । এটা তার ন্যায্য অধিকার ।

Fazlu
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:০৬

লোভ আর চৌর্যবৃত্তি এদেশের মানুষকে পশুর চেয়েও নিম্নস্তরে নামিয়ে দিয়েছে। এদের দু:সংবাদ শুনে ইন্নালিল্লাহ না পড়ে ঘৃণা প্রকাশ করা উচিৎ। লোভ থেকে এদেশের মানুষের মনে জন্মেছে সীমাহীন লুন্ঠনবৃত্তি আর চৌর্যবৃত্তি। চোর আর লুটেরাদের মৃত্যুতে ‘ফি নারে জাহান্নামা খালেদিনা ফিহা’ পড়া ঈমানের দায়িত্ব।

মুহা: ওয়াহিদুর রহমান
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:০৯

লোভ পরিহার করা উচিত৷ সর্বাবস্হায় আল্লাহ প্রতি শোকরিয়া করা উচিত৷ আল্লাহ তার বান্দাকে ক্ষমা করে দিন৷

Kazi
২১ জুলাই ২০২১, বুধবার, ১১:৫৯

أنا لله وأنا اليه راجعون

Dr Hiya khan Jannatu
২১ জুলাই ২০২১, বুধবার, ১১:৫৬

কি বলবো ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা তিনি বেঁচে থাকলে হয় তো কিছু টাকা আমরা যারা আছি ।কিন্তু এতো হয়ে গেছে অতি লোভের ফল তাই হোক শুকরিয়া জ্ঞাপন করা ফরজ বিধান।

Sumon
২১ জুলাই ২০২১, বুধবার, ১১:৪৩

Tar sathe thaka 80 thousand taka koi? Murder o hote pare?

অন্যান্য খবর