× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯ সফর ১৪৪৩ হিঃ

করোনায় রেকর্ড ২৪৭ জনের মৃত্যু, শনাক্তও সর্বোচ্চ ১৫,১৯২

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) জুলাই ২৬, ২০২১, সোমবার, ৫:৫১ অপরাহ্ন

দেশে একদিনে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোতেই রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছ। এর আগে দেশে চলতি বছরের ১৯শে জুলাই ২৩১ জনের মৃত্যুর রেকর্ড ছিল। নতুন মৃত্যু নিয়ে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৫২১ জনে। নতুন করে রেকর্ড সংখ্যক শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ১৯২ জন। এর আগে এবছরের ১২ই জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত ছিল ১৩ হাজার ৭৬৮ জন।  সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৫২ জন এবং এখন পর্যন্ত  ১০ লাখ ৯ হাজার ৯৭৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, ৬৩৯টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ হাজার ৩১৬টি নমুনা সংগ্রহ এবং ৫০ হাজার ৯৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৫ লাখ ৬  হাজার ২৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচানয় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

এদিকে বিভাগ ভিত্তিক শনাক্তের হার বিশ্লেষণে দেখা যায়, একদিনে দেশের মোট শনাক্তের ৫২ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগী রয়েছেন ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৭২ জন। শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৯৫৩ জন। এই বিভাগে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। ঢাকা জেলায় (মহানগরসহ) শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মারা গেছে ৩৬ জন।

ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন ৫ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫৯৫ জন। শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। চট্টগ্রামে মারা গেছেন ৬১ জন। এ বিভাগে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৬৭ জন। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। রাজশাহীতে মারা গেছেন ২১ জন। শনাক্ত হয়েছে ৯০৮ জন। শনাক্তের  হার ২০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রংপুর বিভাগে মারা গেছেন ১৬ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৬৭৮ জন। শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। খুলনা বিভাগে মারা গেছেন ৪৬ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৬ জন। শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে মারা গেছেন ১২ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৮৪১ জন। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ। একই সময়ে সিলেট বিভাগে মারা গেছেন ১৪ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫৬৪ জন। শনাক্তের হার ৪১ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জাফর আহমেদ
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৬:৫৪

সরকার ও প্রশাসনের সমন্বয় হীনতা ও আন্তরিকতার অভাব, এজন্য মুল দায়ী, সরকার ইচ্ছা করলে মানুষ কে ঘরের মধ্যে রাখা কোন বেপার না, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সরকার আসলেই কি করোনা ঠেকাতে চায় কি না, কিছু মানুষের লোভের বলি হচ্ছে এদেশের জনগণ, সরকার মোহদেয়ের কাছে আকুল আবেদন জীবনের জন্য জীবিকা জীবিকা জন্য জীবন নয়, আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করুন সুফল পাওয়া যাবে ইনশাল্লাহ,

Md. Abbas Uddin
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৭:২০

অজ্ঞ ও মুর্খ্যরা বিশ্বাসই করেনা যে দেশে করনা বলতে কিছু আছে। তারা এখনো মনে করে , করনা বড় লোকের রোগ, , করনা শহরের রোগ, , করনা গরীব বা গ্রামের মানুষকে কিছুই করতে পারবে না, , বস্তির মানুষের মধ্যে করনা রোগী পাওয়া যায় নাই,, মসজিদ-মাদ্রাসায় করনা প্রবেশ করতে পারে না, , মুসলিম দেশে করনা কিছুই করতে পারবে না ত্যাদি.......... ইত্যাদি। এক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, মসজিদের ইমাম, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্দি করা জরূরী। বাস্তব সত্যটি হল করনায় এখন গ্রামের অনেক গরীব মানুষ মারা যাচ্ছে। করনায়0 মুসলিম মারা যাচ্ছেন। করনায় মসজিদের ইমাম, মুসল্লি মারা যাচ্ছে। করনায় আমার জানামতে আমার বাসার পাশের একটি মসজিদ কমিটির ২ জন সভাপতি মারা গিয়েছেন। বস্তিতে করনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে বস্তিতে করনা সনাক্তের হার ৭০%। অর্থাৎ করনা ধনী-গরীব, নামাজি-বেনামাজি কাহাকেও ছাড় দেয় না। আসুন সবাই মিলে মাস্ক পরি লকডাউনকে বিদায় করি। বৈজ্ঞনিকগন গভেষনা করে দেখেছেন মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) মাধ্যমে ৭০%-৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব (ইনশাআল্লাহ্‌)।

মো: হানিফ
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৫:৩৯

শতকরা প্রায় 10 জন মাস্ক সঠিকভাবে মুখে লাগায় না। শতকরা প্রায় 20 জনের মতো মাস্ক লাগায় থুতনিতে। অবশিষ্ট প্রায় 70 জন মুখে মাস্ক লাগায় না। বিকেল বেলায় মুখে মাস্ক লাগিয়ে হাতিরঝিল ঘুরে দেখলাম সাধারণ ছুটির আমেজ । তরুণরা জটলা বেঁধে গিটার বাজাচ্ছে। দলে দলে সেলফি তুলছে। দেশে মহামারী চলছে, লকডাউন চলছে এর তেমন কোন চিহ্ন নেই।

Md. Abbas Uddin
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৬:২০

মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত বাদ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া উচিত। প্রতিটি পুলিশকে ২০ জন করে মাস্ক অব্যবহারকারীকে জরিমানার টর্গেট নির্ধারিত করে দেয়া উচিত। জরিমানার পরিমাণ ২০০০, ৩০০০, ৫০০০ টাকা করা যেতে পারে (যাহা অন্যান্য দেশে ২০-৩০ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে)। জরিমানার একটি অংশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রদান করলে পুলিশ বেশী উতসাহ পাবে। এই পদ্ধতি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সফলভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিকগণ গভেষনা করে দেখেছেন মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) মাধ্যমে ৭০%৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব। আসুন সবাই মিলে মাস্ক পরি লকডাউঙ্কে বিদায় করি।

Md. Abbas Uddin
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৬:১৯

ঘনবসতিপূর্ন বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় করনা নিয়ন্ত্রণ ২টি বিষয়ের মধ্যে আটকে আছে। এই ২টি কে বাদ দিয়ে করনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সরকার শুধু লকডাউন দিয়ে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বাড়াচ্ছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করছে। ২টি বিষয়ের মধ্যে প্রথমতঃ করনা সংক্রমণ ‘০’ লেভেলে না আসা পর্যন্ত শতভাগ মানুষকে যেকোন মূল্যে নিয়মিত মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) আওতায় আনতে হবে। নিয়মিত সঠিকভাবে মাস্ক না পরলে ২০০০, ৩০০০ বা ৫০০০ টাকা জরিমানা আদায় ও জেলের ব্যবস্থা করলে মানুষ ভয়ে মাস্ক পরতে বাধ্য হবে (অন্যান্য দেশে ২০-৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তারা সফল হচ্ছে)। দ্বিতীয়তঃ জনপ্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম, আলেম-ওলামা সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং অলি-গলি, পাড়া-মহল্লা, গ্রামের হাট-বাজার সর্বত্র কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত ব্যাপক মাইকিং করতে হবে। এই ২টি বিষয়ের উপর দেশের চৌকস স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ(যেমনঃ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাইদুর রহমান, ডঃ আবু জামিল ফয়সাল (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপদেষ্টা), অধ্যাপক ডঃ নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা) বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এই দুইটি পয়েন্টের বাস্তবায়নের উপরই বাংলাদেশের করনা নিয়ন্ত্রণ আটকে আছে। সরকার এই ২টি বিষয়ের উপর কেন নজর দিচ্ছেন না তাহা রহস্যজনক। সরকার যদি জীবন ও জীবিকার ভারসাম্য একই সাথে রক্ষা করতে চান তবে এই দুইটি পয়েন্টের বাস্তবায়ন ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

হাবিব
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৬:১৩

হে রাব্বুল আলামিন আমাদের রক্ষা করুন। যারা বলেছে এবং বলছে কোথায় করোনা, কিসের করোনা, টিকা নিলে বিরাট ক্ষতি হবে তাদের হেদায়েত দান করুন তাদের বুঝ শক্তি দিন। তারা যেন স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলে সেই জ্ঞ্যান বুদ্ধি তাদের দিন। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতকে শক্তিশালী করুন যেন তারা দেশের মানুষকে আরো ভালভাবে সেবা দিতে পারে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

Md. Abbas Uddin
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৬:০৪

সরকার যেমন উদাসীন তেমনি অজ্ঞ ও মুর্খ্য মানুষজনও উদাসীন ! কাহারও টনক নড়ছে না ! তাই যা হবার তাই হচ্ছে।

অন্যান্য খবর