× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গলবার , ৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

মুরগির দাম বাড়লো কেজিতে ২০ টাকা, সবজিও চড়া

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১, শুক্রবার, ৮:৫১ অপরাহ্ন

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে মুরগি, ডিম ও সবজির দাম আরও বেড়েছে। পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। আর ডিমের ডজনে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। এদিকে, বাজারে শীতের সবজি শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপি আসা শুরু করেছে। ফলে দামও বেশ চড়া।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৫০-১৫৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা। আর পাকিস্তানি কক বিক্রি করছেন কেজি ২৮০-৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৭০-২৮০ টাকা। এর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২২০-২৩০ টাকা।
দাম বাড়ার বিষয়ে কাপ্তান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী লিয়াকত বলেন, খামারে মুরগির উৎপাদন কমেছে।
অপরদিকে বাজারে বেড়েছে চাহিদা। এ কারণেই দাম বেড়েছে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে। আরেক ব্যবসায়ী মামুন বলেন, পাইকারিতে মুরগির দাম অনেক। কয়েকদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ১০০ টাকার মতো বেড়েছে। ফলে যে মুরগি ক’দিন আগে আমরা ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি এখন তা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।
বাজারে কথা হয় বাংলামোটরের বাসিন্দা আকমলের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালিকা মুরগির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। ডিমের দাম বেড়েছে ডজনে পাঁচ টাকা। প্রায় সব নিত্যপণ্যের দামই বাড়ছে। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এদিকে, মুরগির সঙ্গে বেড়েছে ডিমের দাম। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০৫-১১০ টাকার মধ্যে। আর মুদি দোকানে গত সপ্তাহে এক পিস ডিম বিক্রি হয় ৯ টাকা, এখন তা বেড়ে ১০ টাকা হয়েছে। কোনো কোনো ব্যবসায়ী এক পিস ডিম ১১ টাকাও বিক্রি করছেন।
ডিম বিক্রেতা জাহাঙ্গীর বলেন, বাজারে সবজি, মাছ, মুরগি সবকিছুর দাম বেড়েছে। এ কারণে কিছুটা চাপ পড়েছে ডিমের ওপর। তাছাড়া কয়েকদিন ধরে বাজারে ডিমের সরবরাহ কম। সবকিছু মিলে দাম বেড়েছে।
বাজারে গত সপ্তাহের মতো শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি করছেন ১২০-১৪০ টাকা। গাজর ও টমেটোর কেজি বিক্রি করছেন ১০০-১২০ টাকা। এ দু’টি সবজির দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে দাম বেড়েছে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁড়শ, পটোল, করলার। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৬০ টাকা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৭০ টাকা। চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা।
এছাড়া পটোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা।
কাওরান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী সবুর আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে কিছুটা বেড়েছে সবজির দাম। তবে বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ছে। তাই আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যে দাম কিছুটা কমে যাবে।
এদিকে, বাজারে মোটা ও মাঝারি আকারের চালের দামে কোনো পরিবর্তন নেই। বাজারে এখনো গত সপ্তাহের মতোই প্রতি কেজি গুটি স্বর্ণা ৪৬ থেকে ৪৭ টাকা এবং বিআর-২৮ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগের সপ্তাহে এসব চালের দাম ছিল কেজিতে দুই টাকা কম। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৩ থেকে ৩৫ টাকায়। বাজারে কেজিপ্রতি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়।

তেলের বাজার আগে থেকেই চড়া। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে কমপক্ষে ১৫৩ টাকায়, খোলা সয়াবিন তেল ১৩০ টাকা, পাম অয়েল ১২০ থেকে ১২৮ টাকায়।

এদিকে, মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩৮০ টাকা। মৃগেল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৮০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে। পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৬০০ টাকা। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৬০ টাকা।

আগের মতো বাজারে ছোট-বড় সব ধরনের ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। বড় (এক কেজির ওপরে) ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১৩০০ টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকা কেজি। আর ছোটগুলো বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে। সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর