× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ৮ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

বড়দের বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত শামীম

খেলা

ইশতিয়াক পারভেজ
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য শামীম হোসেন পাটোয়ারী। দেশের হয়ে নতুন এক ইতিহাসের কারিগরদের একজন বললেও ভুল হবে না। ২১ বছর ছুঁতেই পা রেখেছেন জাতীয় দলে। শুধু কি তাই লাল-সবুজের জার্সিতে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলেই জায়গা করে নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ স্কোয়াডে। হ্যাঁ, এবার এই তরুণের চ্যালেঞ্জ বড়দের বিশ্বকাপ। কতোটা প্রস্তুত তিনি! দৈনিক মানবজমিনকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন তার নতুন লক্ষ্যের কথা। সেই কথোপকথনের মূল অংশ তুলে ধরা হলো-

প্রশ্ন: বিশ্বকাপ দলের বেশির ভাগ সদস্য বেশ সিনিয়র। তাদের সঙ্গে তাল মেলাতে কতোটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করছেন?
শামীম: দুই, একজন ছাড়া বাকি সাবাই আমার সিনিয়র।
তবে তারা সেটি আমাকে খুব একটা বুঝতে দেন না। আমাদের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ভাই সব সময় আমাকে সাহস দেন। এছাড়াও দলের সব সিনিয়রের সঙ্গেই আমার ভালো সময় কাটে। আমি সব সময় চেষ্টা করি তাদের কাছ থেকে শিখতে। রিয়াদ ভাই সবসময় আমাদের সাপোর্ট করেন। জুনিয়র ক্রিকেটারদের স্নেহ করেন। রিয়াদ ভাই সব সময় আমাদেরকে ফ্রি খেলার জন্য বলেন।
প্রশ্ন: মুশফিক, লিটন, সৌম্য, আফিদের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া কঠিন মনে হয় কি?
শামীম: সত্যি কথা বলতে আমি মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে মাত্র একটি সিরিজ খেলেছি। আর বাকি যে সিনিয়র যেমন- সৌম্য ও লিটন ভাই তাদের সঙ্গে তেমন একটা খেলা হয়নি। তবে সবার সঙ্গে আমার দারুণ সম্পর্ক। দলে সুযোগ পেয়েছি, আমিতো চাইবো তাদের কাছে শিখতে। তাদের ব্যাটিং বা বোলিং সব আমি ফলো করি। আর শরিফুল ও আফিফ যারা তাদের সঙ্গে অনেকটাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। এককথায় সিনিয়র-জুনিয়র যারা আছেন এই দলে সবাই আমাকে সাহস দেন। সবার সঙ্গে সুন্দর সময় কাটে।
প্রশ্ন: ছোটদের বিশ্বকাপ জিতেছেন এবার বড়দের বিশ্বকাপে লক্ষ্য কি?
শামীম: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয় আমাদের জন্য সব সময় অনুপ্রেরণার। সেই অভিজ্ঞতা সারা জীবন কাজে আসবে যে কোনো আসরে। এবারের বিশ্বকাপের লক্ষ্য বলতে যেহেতু এবার আমি প্রথমবার সুযোগ পেয়েছি এখনো সেভাবে তেমন কিছু চিন্তা করিনি। আমি টিমের সঙ্গে যেতে পারছি- এটাই আমার কাছে বড় কিছু। জুনিয়র হিসেবে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তবে যদি সুযোগ পাই নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবো। এ নিয়ে আগে থেকে কিছু বলতে চাই না। আর আমি সাকিব-তামিম ভাইদের খেলা দেখে বড় হয়েছি। আসলে ছোটবেলা থেকে ইচ্ছা ছিল যে, সাকিব ভাইদের সঙ্গে খেলবো। এখন যেহেতু ওনাদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়েছি খুব ভালো লাগছে।
প্রশ্ন: জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েও প্রত্যাশা অনুসারে ব্যাট করতে পারেননি। বিশ্বকাপের মতো আসরে কতোটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছেন?
শামীম: আত্মবিশ্বাসতো আছে। তবে এটিও মেনে নিতে হবে দলে কিন্তু অনেক সিনিয়র ক্রিকেটার তাদের সুযোগটা আগে। আর আমি যদি সুযোগ পাই চেষ্টা থাকবে দল যেভাবে চায় সেইভাবে পারফরম্যান্স করার। হ্যাঁ, শেষ কয়েকটি ম্যাচে সুযোগ পেয়ে যতটা আশা ছিল তা করতে পারিনি। তবে দল যেহেতু আস্থা রেখেছে সুযোগ পেলে তার প্রতিদান রাখতে চেষ্টা করবো।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপে নতুনদের প্রতি প্রত্যাশা বেশি থাকবে- সেই চাপ নিতে কতোটা প্রস্তুত?
শামীম: আসলে এটা অনেক বড় একটা মঞ্চ। এখানে ওয়ার্ল্ডক্লাস অনেক প্লেয়ার থাকবেন। তো আমি মনে করি এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ হবে। ছোটদের বিশ্বকাপ আর বড়দেরটা অনেক পার্থক্য। তবে আগের সেই অভিজ্ঞতা আমাকে শক্তি যোগাবে।
প্রশ্ন: দেশ ও দেশের বাইরের উইকেটে অনেক পার্থক্য। তাই সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাতে কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন?
শামীম: এটাতো অস্বীকার করার নেই দেশের সঙ্গে উইকেটে মিলবো পাবো না বাইরে। তবে আমাদের দেশে যে কঠিন স্পিন উইকেট বিশ্বকাপে হয়তো সেটি হবে না। সেখানে ব্যাটসম্যানদের জন্য দারুণ সুযোগ থাকবে। উইকেট কিন্তু অনেক ম্যাটার করে। আপনারা দেখেছেন এখানে এবারে উইকেটটা একটু ডিফারেন্ট ছিল। ওয়ার্ল্ডকাপের উইকেটটা কিন্তু ভালো হওয়াটাই স্বাভাবিক। আমাদের সিনিয়র ক্রিকেটাররা আছেন, আমি অনেক আশাবাদী ওনারা ওখানে অনেক ভালো করবেন?।
প্রশ্ন: আপনাকে ফিনিশার ভাবা হয় তবে দলের প্রয়োজনে কোনো পজিশনে খেলতে প্রসু্তত কি না?
শামীম: আমাকে দলের প্রয়োজনে যে কোনো জায়গাতে দিলে আমি ব্যাট করতে প্রস্তুত আছি। শেষদিকে দিলে যেভাবে প্রয়োজন অনুসারে ব্যাট করবো। তেমনি ওপরে দিলেও সেটাই ফলো করবো। শুধু ফিনিশার হবো সেটি নিয়ে আমি ভাবি না। হ্যাঁ, শেষ করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারলেই খুশি। সেটা যেখানেই দেয়া হোক আমাকে।
প্রশ্ন: ফিল্ডিং আপনার বড় শক্তি, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা কতোটা কঠিন?
শামীম: অবশ্যই আমি আমার ফিল্ডিংটাকে সবচেয়ে এগিয়ে রাখবো। চেষ্টা থাকবে দলের জন্য যে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার মতো ক্যাচ নেয়া বা রানআউট করা সেই কাজগুলো করতে পারি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর