প্রথম পাতা
বিমসটেক সম্মেলন
সাইড লাইনে ইউনূস-মোদির বৈঠকের ‘সম্ভাবনা’
স্টাফ রিপোর্টার
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ২৫তম বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল সেখানে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।
গতকাল ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান বলেন, আগামী ৪ঠা এপ্রিল বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠকের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সুতরাং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রধানরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করবেন এবং বিমসটেকের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন। তাই আমরা আশা করতে পারি যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও বৈঠক হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। কাউকে বাদ দিয়ে আমরা এগোতে চাই না।
খলিলুর রহমান বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে এই বৈঠক (দুই দেশের নেতাদের মধ্যে) আয়োজনের অনুরোধ করেছি। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, এই বৈঠক নিয়ে আমাদের আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। আগামী ৪ঠা এপ্রিল অধ্যাপক ইউনূসকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। বিমসটেক সম্মেলন ২রা থেকে ৪ঠা এপ্রিল থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
পাঠকের মতামত
মোদি আর ডক্টর মুহাম্মাদ ইউনূস দুটি নাম দুটিই ভিন্নভাবে বিশ্বে আলোচিত। ডক্টর মুহম্মদ ইউনূস বিশ্বের সম্পদ আর মোদি ভারতের সম্পদ, আছে এবং নেই। কাছেই ডক্টর মুহম্মদ ইউনূসকে ধীরগতিতে ই চলতে হবে। আমাদের জন্য দেশ এবং ডক্টর ইম্পর্ট্যান্ট কিন্তু মোদি নয়।
কি লাভ মদির সাথে মোদীর সাথে। আমেরিকান দের মত সরকার পরিবরতন এর সাথে সাথে ভারত তাদের পলিছি পরিবর্তন করে না। এমতবস্থায়, আমাদের সিদ্দান্ত আমাদের ই নিতে হবে। এবং তা হল, রোজগারের নতুন সৃষ্টি করা এবং নতুন বাজার খুজে বের করা। উদ্যোক্তা সৃষ্টি একটা বড় লক্ষ্য হতে হবে।
মোদী নিজের ভুল বুঝতে পারলে বৈঠক করতে নিজেই এগিয়ে আসবে !