খেলা
প্রতিপক্ষ কোচের নাক টিপে আবারও বিতর্কে হোসে মরিনহো
স্পোর্টস ডেস্ক
(২০ ঘন্টা আগে) ৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

বুধবার রাতে ঘরের মাঠে উত্তপ্ত ইস্তাম্বুল ডার্বিতে গালাতাসারাইয়ের কাছে ২–১ গোল ব্যবধানে হার দেখে ক্লাব ফেনেরবাচে। সে ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর নিজের মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি সাবেক পর্তুগিজ তারকা কোচ হোসে মরিনহো। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষ কোচ ওকান বুরুকের নাক চেপে ধরে আবারও বিতর্কের জন্ম দেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এ কোচ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গালাতাসারাই কোচ ওকান বুরুকের পেছনে দাঁড়িয়ে থেকে হাত বাড়িয়ে নাক ধরছেন মরিনহো। এরপর বুরুক মুখে হাত দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ সময়ে মরিনহোকেও সরিয়ে নেয়া হয়। এদিন ম্যাচ চলাকালীন সময়েও উত্তপ্ত বেড়েছিল দু’দলেরই। এদিন ম্যাচে দুই দলের তিনজন ফুটবলারকে দেখতে হয়েছে লাল কার্ড।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গালাতাসারাই কোচ বলেন, ‘আমি যখন যাচ্ছিলাম সে পেছন দিক থেকে আমার নাক চেপে ধরে। নাকে একটু দাগ পড়ে গেছে। অবশ্যই এটা ভালো কিছু নয়। আমি ফুলিয়ে–ফাঁপিয়ে বেশি কিছু বলব না। কারণ এটা বুক ফুলিয়ে বলার মতো কিছু নয়।’
এ ঘটনায় গালাতাসারাই সহসভাপতি মেতিন ওজতুর্ক কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন, মেতিন বলেন, ‘সর্বশেষ ঘটনাটি শুধু গালাতাসারাইয়ের কোচের ওপর আঘাতই নয়, এটা তুর্কি ফুটবলের ওপরই আঘাত। এটাই তো মরিনহো, আমি জানি না সে এত সাহস পায় কোথা থেকে। পৃথিবীর আর কোথায় সে এমনটা করতে পারবে কী? সে তুরস্ককে কী মনে করে?’।
এ ঘটনার পর গালাতাসারাই নিজেদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে কোচ বুরুকের হাস্যোজ্জ্বল এক ছবি দিয়ে লিখেছে, ‘আপনি কাউকে আঘাত করবেন না, সব হজম করে যাবেন।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গালাতাসারায়ের বেঞ্চের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি ‘বানরের মতো লাফাচ্ছিল’ মন্তব্য করেন। যা বর্ণবাদী আচরণ বলে অভিযোগ তোলে গালাতাসারাই। এর জন্য পরবর্তীতে চার ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। যদিও পরে সেটি কমিয়ে দুই ম্যাচে আনা হয়। আর মরিনিওর জন্য কারও শরীরের আঘাত করাটা অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১১ সালে বার্সার সহকারী কোচ টিটো ভিলানোভার চোখে খোঁচা মেরে বিতর্কিত হন সে সময়ের রিয়াল মাদ্রিদ কোচ মরিনহো।