বিশ্বজমিন
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, যা বললেন ট্যামি ব্রুস
মানবজমিন ডেস্ক
(১ সপ্তাহ আগে) ২৫ মার্চ ২০২৫, মঙ্গলবার, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আবারও উঠে এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। সোমবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ইস্যুতে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। বাংলাদেশে ইসলামী চরমপন্থার উত্থান এবং সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন করেন তিনি। এসব প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, আমরা যেসকল প্রশ্নের মুখোমুখি হই, আমি মনে করি তা হচ্ছে- অন্যান্য দেশগুলো কীভাবে পরিচালনা করি, তাদের বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করলে তাদের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশ্যা কী। এক্ষেত্রে আমরা যদি তাদের বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করি তাহলে সমাধান হচ্ছে কূটনৈতিক পরিস্থিতি। সৌভাগ্যবশত আমাদের প্রশাসন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন যিনি কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, তারা বিশ্বজুড়ে আমাদের বন্ধুদের সঙ্গে মুখোমুখি কথোপকথন করেন। আমাদের শক্তি এবং প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে আমরা আশাবাদী। যিনি এ বিষয়গুলোকে গুরুত্বসহকারে নেয়ার ক্ষেত্রে অধিক পরিচিত। আমরা বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও এ বিষয়গুলো আশা করি। উল্লেখ করতে হলে, মানবাধিকারের নিয়ম মেনে চলা, তাদের আচরণ এবং নাগরিকরা সরকারের কাছে যা প্রত্যাশা করে সে বিষয়ে তাদের সচেতন ও ন্যায্য হতে হবে। এটাই যেকোনো জাতির জন্য সুস্পষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেন ট্যামি।
পাঠকের মতামত
মুশফিক ফজল আনসারী বিএনপি মার্কা সাংবাদিক বুঝেন না? বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে গেছেন।
বাংলাদেশের উচিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে যোগদানের জন্য একজন সাংবাদিক পাঠানো যে ভারতের অভ্যন্তরে প্রতিটি মুসলিম নির্যাতনের বিষয়ে আমেরিকার অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন করবে
আমাদের মুশফিক ফজল আনসারী ভাই কৈ এখন? আমাদের ও উচিত ইন্ডিয়া তে যে মুসলিমদের এবং মাইনোরিটি এর উপর অত্যাচার হচ্ছে ঐটা এর বেপারে US State Department এ প্রশ্ন করা।
সাংবাদিকতা ছেড়ে ঐ ভূয়া সাংবাদিকদের কুত্তা পালন করা উচিত। উনার মানসিকতা কুত্তার চেয়ে খারাপ। টাকার কাছে বিক্রি হয়ে আওয়ামী এর দালালি করতে ষেটট ডিপার্টমেন্ট এ গেছে।
আমাদের মুশফিক ফজল আনসারী ভাই কৈ এখন? আমাদের ও উচিত ইন্ডিয়া তে যে মুসলিমদের এবং মাইনোরিটি এর উপর অত্যাচার হচ্ছে ঐটা এর বেপারে US State Department এ প্রশ্ন করা।
ইন্ডিয়াতে সংখ্যা লুগু নিয়ে কেউ কি কোন প্রশ্ন করে না ? করলে সেটা নিউজ এ আসে না কেন ?
Just diplomatic answer and wide range covered in delivery.
প্রশ্নকারী হতাশ! কারণ, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের জানা আছে দেড় দশক বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম ছিলো। জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষ গনতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছে। কাজেই আওয়ামী সাংবাদিক ও মিডিয়ার মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমারা বুঝতে পারে।
Vua department. Control by mudi