ঢাকা, ৫ এপ্রিল ২০২৫, শনিবার, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৫ শাওয়াল ১৪৪৬ হিঃ

শেষের পাতা

নারী সংবাদকর্মীকে হেনস্তা, প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ৩

স্টাফ রিপোর্টার
৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবারmzamin

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় এক নারী সংবাদকর্মীকে হেনস্তার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। বুধবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সোয়েব রহমান জিশান, মো. রাইসুল ইসলাম ও মো. কাউসার হোসেন। গতকাল র‌্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বুধবার রাতে বনশ্রীতে নারীকে হেনস্তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি র‌্যাবের নজরে আসে। এরপর দ্রুত ছায়া তদন্ত শুরু করা হয় এবং রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলার এজাহারে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‌্যাব সদর দপ্তর, গোয়েন্দা শাখা এবং র‌্যাব-৩ এর একাধিক টিম অভিযানে নামে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রধান অভিযুক্ত জিশানকে রামপুরার মেরাদিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রমনা থানার বেইলি রোড এলাকা থেকে রাইসুল এবং শ্যামপুর থানার গেন্ডারিয়া এলাকা থেকে কাউসারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের রামপুরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।  

রামপুরা থানায় করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে বনশ্রী ই ব্লকের ৩ নম্বর রোডের এক জুসের দোকানে ওই নারী, তার ছোট ভাই ও বন্ধু অবস্থান করছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি বারবার ওই নারীর দিকে তাকাচ্ছিল। বিষয়টি জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তারা দোকান থেকে বের হয়ে আসেন। এরপর জিশান এবং তার সহযোগীরা তাদের পথরোধ করে। ভুক্তভোগী নারীর ছোট ভাই প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয়। বাধা দিতে গেলে ওই নারী সংবাদকর্মীকে পেছন থেকে টেনে হেনস্তা করা হয়। তার শরীরে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয় এবং শ্লীলতাহানি করা হয়। বন্ধুকে ভিডিও করতে দেখে তাকেও মারধর করে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে ধর্ষণের হুমকি দেয় এবং বলে, হ্যাঁ দেখ রেপ করেছি।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, ঘটনার সময় জিশান মোবাইল ফোনে ফোন করে আরও অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন লোক নিয়ে আসে। সবাইকে শনাক্ত করা যায়নি। বিবাদী জিশানসহ অজ্ঞাতনামা দু’জন ব্যক্তি বার বার লাথি দিয়ে আমাদের ফোন ফেলে দিচ্ছিল। বলছিল কার কাছে যাবি যা? এরপর আমি ও আমার ভাই চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে চলে যাই। তিনি অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে মামলা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।

 

পাঠকের মতামত

বাবারা, সামান্য জিনিসে এখন জীবনটা এখন তেজপাতা হয়ে যাবে তোমাদের যা কখনোই কাম্য ছিল না।

Mozammel
৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবার, ৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত

   
Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status